Posts

Showing posts from March, 2022

নারী শিক্ষা বিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্রের অবদান Or বাংলায় নারীশিক্ষা অগ্রগতির ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা বর্ণনা করো

বাংলায় নারীশিক্ষা  অগ্রগতির ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ভূমিকা বর্ণনা করো। Or নারী শিক্ষা বিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্রের অবদান। ভূমিকা:    বাংলায় নারীশিক্ষার প্রসারে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-৯১ খ্রি.)। তিনি ছিলেন নারীশিক্ষার বিস্তারের পথিকৃৎ। তিনি উপলব্ধি করেন যে, নারীজাতির উন্নতি না ঘটলে বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতির প্রকৃত উন্নতি সম্ভব নয়। নারী শিক্ষায় বিদ্যাসাগরের উদ্যোগ:   বিদ্যাসাগর উপলব্ধি করেন যে, নারীসমাজের মুক্তির জন্য তাদের শিক্ষার অত্যন্ত প্রয়োজন, একমাত্র শিক্ষাই মানুষের মন থেকে অজ্ঞানতার অন্ধকার দূর করে মানুষের মধ্যে জ্ঞানের সঞ্চার করে প্রকৃত মনুষ্যত্ব জাগিয়ে তুলতে পারে। হিন্দু ফিমেল স্কুল:   ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন উদ্যোগী হয়ে কলকাতায় ‘হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়' (১৮৪৯ খ্রি.) প্রতিষ্ঠা করেন। ভারতে এটিই ছিল প্রথম বালিকা বিদ্যালয়। বিদ্যাসাগর ছিলেন এই বিদ্যালয়ের সম্পাদক। এটি বর্তমানে বেথুন স্কুল নামে পরিচিত। বিদ্যাসাগর ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে বর্ধমান জেলায় মেয়েদের জন্য একটি বিদ্যালয় প্র...

অশোকের কৃতিত্বের মূল্যায়ন আলোচনা করো

অশোকের কৃতিত্বের মূল্যায়ন আলোচনা করো।   অশোকের কৃতিত্বের মূল্যায়ন নিহিত রয়েছে কলিঙ্গ যুদ্ধের পর তাঁর ব্যক্তি জীবন ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আমূল পরিবর্তনের মধ্যে। মানুষের হতাহতের ঘটনায় অনুশোচনায় কাতর হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্বার্থের দিকে তাকিয়ে তিনি কলিঙ্গবাসীকে তাঁদের রাজ্য ফিরিয়ে দেননি।   অশোক ব্যক্তিগতভাবে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত হলেও দেশ ও বিদেশের মানুষের মধ্যে তিনি এক সার্বজনীন ধর্ম তথা কল্যাণকর রাষ্ট্রের ধারণা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।মৌর্য সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরে ও বাইরে যেভাবে জনগণের মধ্যে ধর্মপ্রচারের উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন তারই ফলে বৌদ্ধধর্ম জগতের অন্যতম সার্বজনীন ধর্মে পরিণত হয়েছে।  শুধু বৌদ্ধ ধর্ম নয়, সকল সম্প্রদায়ের ধর্মের উন্নতি বিধান তাঁর কাম্য ছিল। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, পরধর্মকে সম্মান দেখালে ধর্মের গৌরব বৃদ্ধি ঘটে এবং তার সূত্র ধরে সকল ধর্ম সম্প্রদায়ের (ব্রাহ্মণ, আজীবিক, জৈন) অন্তর্ভুক্ত মানুষের উন্নতি ঘটে।    কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অশোক নিজে যুদ্ধনীতি পরিত্যাগ করা ছাড়াও তাঁর পুত্র ও পৌত্রদের যুদ্ধনীতি অনুসরণ না করার কথা ঘোষণা করে মহত্ত্বের পরিচ...

সভা ও সমিতির উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ।

 সভা ও সমিতির উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লেখ।   ঋগ্বৈদিক যুগে রাজার ক্ষমতা অবাধ ছিল না। '‘সভা’ ও ‘সমিতি’ নামে দুটি জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিমূলক সংগঠনের অস্তিত্ব বজায় থাকার ফলে তাঁর ক্ষমতা অনেকখানি সংকুচিত হয়েছিল। বস্তুত ‘সভা’ ও ‘সমিতি' ছিল তৎকালীন শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অঙ্গ।    ঋগ্বেদের ষষ্ঠ ও অষ্টম মণ্ডলে ‘সভা’ এবং প্রথম ও নবম মণ্ডলে ‘সমিতি' শব্দটি বারে বারে বিশেষভাবে উল্লেখিত হয়েছে। অবশ্য একত্রেও শব্দ দুটির উল্লেখ পাওয়া যায় অনেক সময়। এককথায় ‘সভা’ ও ‘সমিতি’ ছিল উপজাতীয় পরিষদ। রাজার কাজকর্মের ওপর এই দুটি পরিষদের প্রভাব ছিল অপরিসীম। তবে ‘সমিতি'র তুলনায় ‘সভা'র জনপ্রিয়তা ছিল কম। প্রধানত সম্পদশালী ব্যক্তিরা ‘সভা'র সদস্য হতেন।  ঋকবেদে সভা বলতে কখনো কখনো সভাকক্ষকে বোঝানো হয়েছে| অধ্যাপক কীথ সভাকে সভাকক্ষ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন| মূলত জনগোষ্ঠীর অভিজাত ব্যক্তিরাই সভার সদস্য ছিলেন| ঋকবেদ থেকে জানা যায় যে, সভায় পাশা খেলা হতো| সামাজিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন সেখানে হত।  সভা ছিল প্রবীণ এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একটি সমাবেশ। সমিতি: সমিতি ছিল...

অশোকের ধম্ম এর‌ প্রকৃতি

অশোকের ধম্ম এর‌ প্রকৃতি ব্যাখ্যা করো । অশোকের ধম্ম এর‌ প্রকৃতি আলোচনা করো। অশোকের ‘ধম্মে’র প্রকৃতি সম্পর্কে পণ্ডিতদের মধ্যে তীব্র মতানৈক্য আছে।ঐতিহাসিক মনে করেন, অশোকের ‘ধম্ম' ও বৌদ্ধ ধর্ম ছিল এক ও অভিন্ন। অর্থাৎ অশোকের ‘ধৰ্ম্ম’ হল বৌদ্ধ ধর্ম। আর এক শ্রেণীর পণ্ডিতের কাছে মনে হয়েছে, তাঁর ‘ধৰ্ম্ম’ বৌদ্ধ ধর্ম বা কোনো একটি বিশেষ ধর্ম নয়। উভয়পক্ষই নিজ নিজ তত্ত্বের সমর্থনে যথাযথ যুক্তি উত্থাপন করেছেন। বস্তুত, অশোক তাঁর বিভিন্ন শিলালেখয় এ বিষয়ে যে সমস্ত কথা বলেছেন এবং প্রধান প্রধান বৌদ্ধগ্রন্থগুলিতে মহামানব বুদ্ধদেবের যে সমস্ত নীতি বা শিক্ষা বিধৃত হয়ে আছে সেগুলির আলোকে এই দ্বন্দ্বের নিরসনে প্রয়াসী হওয়াই শ্রেয় হবে।   যে সমস্ত পণ্ডিত অশোকের ধম্ম ও বৌদ্ধ ধর্মকে এক ও অভিন্ন বলে মনে করেন।তাঁর অশোক গ্রন্থে “অশোকের ধর্ম্ম” নামে একটি অধ্যায়ে এ বিষয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। তিনি যে সিদ্ধান্তে এসেছেন তা হল অশোকের ‘ধৰ্ম্ম' নিশ্চিতভাবে বৌদ্ধ ধর্ম। বেশ কিছু তথ্যের ভিত্তিতে তিনি এই তত্ত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর প্রথম ও প্রধান যুক্তি হল অশোক ছিলেন খাঁটি বৌদ্ধ। কেননা, তৃতীয় অপ্রধান শি...

মেসোপটেমিয়া সভ্যতার বৈশিষ্ট্য।

মেসোপটেমিয়া সভ্যতার বৈশিষ্ট্য। মেসোপটেমিয়া শব্দটি গ্রিক শব্দ দুটি নদীর মধ্যবর্তী ভূমি। বর্তমান ইরাকের টাইগ্রিস বা দজলা ও ইউফ্রেটিস নদী দুটির মধ্যবর্তী অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। অধুনা সিরিয়া ইরাকের উত্তরাংশে এবং ইরাকের ঘুজেস্তান অঞ্চল গুলেয় প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অন্তর্গত ছিল বলে মনে করা হয়। মেসোপটেমিয়া সভ্যতা পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্যতা গুলির মধ্যে অন্যতম। খ্রিস্টপূর্ব 350 থেকে 300 কবিদের মধ্যে মেসোপোটেমিয়ার এক উন্নত সভ্যতার উন্মেষ ঘটে যা তাকে সভ্যতার আধুর ঘর অভিধায় ভূষিত করে। প্রকৃত গত দিক থেকে তা মিশরীয় সভ্যতা থেকে অনেকটা আলাদা ছিল এবং প্রাকৃতিক দিক থেকে সুরক্ষিত ছিল না। তাই বারবার বহিঃশত্রুর আক্রমণ ঘটে।  রাজনৈতিকভাবে নগরগুলি ছিল রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র এখানে পলিশ শুধুমাত্র নগর ক্ষেত্রে নয় রাজনীতিকেও বোঝাত। নগর গুলিকে কেন্দ্র করেই আঞ্চলিক জনগণের জীবন নিয়ন্ত্রিত হত। এগুলি ছিল তাদের একইসঙ্গে শিক্ষা ও ধর্মীয় কেন্দ্র ছিল। এই নগরগুলি পণ্য ও পরিষেবা জন্য একে অপরের উপর নির্ভরশীল ছিল। উরুক পর্বের শুরুতে মেসোপটেমিয়া বাসভূমির সংখ্যা এবং আয় দুই বেড়েছিল।   মেসোপটেমিয়ার কৃষিকাজ নির্ভর...

নাট্যকার হিসেবে সফোক্লিসের অবদানের মূল্যায়ন করো ।

নাট্যকার হিসেবে সফোক্লিসের অবদানের মূল্যায়ন করো । গ্রীক সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজিক কবি সফোক্লিস এথেন্সের নিকটবর্তী কলোনাস নামক স্থানে আনুমানিক খ্রিস্ট পূর্ব ৪৯৫ অব্দে (মতান্তরে ৪৯৬/৪৯৭/৪৯৮) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সোফিল্লস নামক জনৈক ধনী অস্ত্রব্যবসায়ীর পুত্র ছিলেন।  কিশোর সফোক্লিস স্যালামিস বিজয় উৎসবে অনুষ্ঠিত একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানে বালকদের নেতৃত্বে ছিলেন। ৪৬৮ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে ইস্কাইলাসকে এক নাট্য প্রতিযোগিতায় পরাস্ত করে পুরস্কার লাভ করেন এবং এথেন্সের শিল্প-রসিক মহলে দারুণভাবে সমাদৃত হন। এথেনীয়রা তাঁকে নিয়ে গর্ব অনুভব করত এবং ভালবেসে নাম রেখেছিল “অ্যাটিকার মক্ষিকা” (Attic bee)। নাট্যপ্রতিভায় মুগ্ধ হয়েই এথেনীয়রা তাঁকে সেনাপতি নির্বাচিত করেছিলেন। শৈশবে সফোক্লিস দেখেছেন এথেন্সেশান্তি, পূর্ণতা ; যৌবনে দেখেছেন ঐশ্বর্যময় এথেন্সকে, পৌঢ়ত্বে দেখেছেন যুদ্ধের উন্মাদনা, আর বার্ধক্যে দেখে গেলেন এথেন্সের গৌরবসূর্যের অস্তরাগ। আনুমানিক ৪০৫ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে (মতান্তরে ৪০৬) প্রায় নব্বই বছর বয়সে তিনি মারা যান। তখন এথেন্সের পরাজয় এবং এথেনীয় গণতন্ত্রের বিপর্যয় আসন্ন প্রায়।   সফো...

নিকিয়াসের শান্তি চুক্তির শর্তগুলি বিশ্লেষণ করো ।

  নিকিয়াসের শান্তি চুক্তির শর্তগুলি বিশ্লেষণ করো ।   এই শান্তি চুক্তির প্রধান নিয়ামক হলেন স্পার্টার রাজা প্লেইস্টোয়ানাক্স এবং এথেন্সের শান্তিকামী দলের নেতা ও তদানীন্তন এথেন্সের প্রধান নিকিয়াস। পঞ্চাশ বছর মেয়াদী এই শান্তিচুক্তি নিকিয়াসের নামেই নামাঙ্কিত হল। প্রায় দশ বছরের যুদ্ধের পর, ছয় মাস ধরে আলাপ-আলোচনার টানাপোড়েনের পরে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হল। উত্তরসূরীদের জন্য থুকিডাইডিস এই চুক্তির পূর্ণ বিবরণ লিপিবদ্ধ করে রেখে যান। সন্ধিটির শর্তাবলী নিম্নরূপ (1) স্পার্টা ও তার মিত্ররা এথেন্স ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে অথবা এথেন্স ও তার মিত্ররা স্পার্টা ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে যদি ক্ষতিসাধন করার উদ্দেশ্যে যে-কোন উপায়ে অস্ত্রধারণ করে, তবে তা বেআইনী হবে। যদি তাদের মধ্যে কোন বিরোধ দেখা দেয়, তবে দুই পক্ষের সম্মতি অনুসারে আইন কিংবা শপথের মাধ্যমে তার মীমাংসা হবে। 2) স্পার্টা ও তার মিত্ররা অ্যাম্ফিপোলিস এথেনীয়দের প্রত্যর্পণ করবে। কিন্তু স্পার্টা যেসব নগর এথেন্সকে প্রত্যর্পণ করবে, সেখানকার অধিবাসীরা সম্পত্তিসহ যেকোন স্থানে ইচ্ছামতো যেতে পারবে। এই নগরগুলি স্বাধীন হবে, শুধু অ্যারিস্টাইডিস ন...

সিন্ধু সভ্যতার অবদান ।

 সিন্ধু সভ্যতার অবদান । হরপ্পা সভ্যতা বর্তমান পাকিস্তান ও ভারত তথা ভারতীয় উপমহাদেশের এক বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তার লাভ করেছিল।উন্নততর নগরকেন্দ্রিক হরপ্পা সভ্যতার কোনো প্রতিফলন লক্ষ করা যায়নি বৈদিক সভ্যতায়। কেননা, এটি ছিল পুরোমাত্রায় একটি গ্রামীণ সভ্যতা। এছাড়া, উভয় সভ্যতারমধ্যে মৌলিক পার্থক্যগুলি (পূর্বে আলোচিত) লক্ষ করলেও ঐ একই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব।  নন্দ মৌর্য আমলের যে ছাপ-যুক্ত মুদ্রা (Punch-marked coins) ও প্রতীকের পরিচয় আমরা পাই তার একটা আভাস মেলে সিন্ধু উপত্যকার হরফগুলিতে (যদিও পাঠোদ্ধার সম্ভব হয়নি)—এই ধরনের মন্তব্য করেছেন এ. ডি. পুসলকার। তিনি আরো বলেছেন যে, প্রাচীন ভারতীয় মুদ্রার ছাঁচ ও কাঠামোর জন্য আমরা কিছুটা সিন্ধু সভ্যতার মানুষের কাছে ঋণী। এছাড়া, হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোর টেরাকোটা তথা মাটির পাত্রাদিতে যে ডিজাইন, আকার ও কাঠামো ব্যবহৃত হত যীশুখ্রিস্টের জন্মের মাত্র কয়েক শতাব্দী আগে পাঞ্জাব ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের টেরাকোটা পাত্রাদিতেও সেই ধরন লক্ষ করা যায়।    ধর্মগত দিক থেকেও হরপ্পা সভ্যতার স্পষ্ট কিছু প্রভাব পরিলক্ষিত হয় পরবর্তী সভ্যতায়। সিন্ধু ...

সিস্টার শুভলক্ষ্মী

    সিস্টার শুভলক্ষ্মী :  বেগম রোকেয়ার প্রায় সমসাময়িক সিস্টার শুভলক্ষ্মী (১৮৮৬-১৯৬৯) মাদ্রাজে উচ্চবর্ণের অল্প বয়সী হিন্দু বিধবাদের জন্য একটি স্কুল স্থাপনের প্রয়াস নেন। নিজে অল্প বয়সে বিধবা হওয়ার পর তিনি তাঁর পিতৃগৃহে ফিরে আসেন এবং বাবা সুব্রমনিয়া আয়ারের কাছ থেকে ইংরাজি ও অন্যান্য শিক্ষা লাভ করেন।    মাদ্রাজে গিয়ে তিনি কনভেন্টে পড়াশোনা করেন এবং সন্ন্যাসিনীদের দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজসেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করেন তাঁর ক্ষেত্র ছিল বিধবাদের শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা। মাদ্রাজের প্রথম বিধবা হিসাবে তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন। এরপর তিনি নিজের পিতৃগৃহেই বিধবাদের জন্য স্কুল খোলেন। এই সময় কোয়েম্বাতুরে আইরিশ নারীবাদী মিস খ্রিশ্চিনা লিঞ্চ মেয়েদের শিক্ষাদানের জন্য একটি বোর্ডিং স্কুল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিলেন কিন্তু নারী শিক্ষিকার অভাব বোধ করছিলেন।    তিনি সরকারের কাছে স্কুল স্থাপনের জন্য আবেদন জানান এবং সিস্টার শুভলক্ষ্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর উদ্যোগে ও সরকারী অনুদানের ফলে টিপ্ল...

পল্লব যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করো।

  পল্লব যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করো।   পল্লব রাজতন্ত্র সাধারণভাবে ছিল বংশানুক্রমিক। পিতার মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিংহাসনে বসবেন এই ছিল নিয়ম। কিন্তু কখনো কখনো পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির দরুন এই নিয়মের ব্যতিক্রমও ঘটত। যেমনটি ঘটেছিল দ্বিতীয় পরমেশ্বরবর্মণের মৃত্যুর পর। বৈকুণ্ঠপেরুমল মন্দির লেখর বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে এই সময় পল্লব রাজ্যের বিশৃঙ্খলার অবসান ঘটাতে রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা পল্লবদেরই আর একটি শাখার প্রভাবশালী ব্যক্তিহিরণ্যবর্মণের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল হন। আগেই উল্লেখ করা হয়েছে যে তাঁর প্রথম তিন পুত্র ঐ পদ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন এবং শেষপর্যন্ত কনিষ্ঠ পুত্র পল্লবমল্ল দ্বিতীয় মহেন্দ্রবর্মণ ১২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন। নন্দিবর্মণের সিংহাসনে আরোহণের বিষয়টিতে নির্বাচনের তুলনায় তাঁর নিজের প্রতি আস্থার বিষয়টি প্রতিভাত হয়ে উঠেছে।   শাসন কাজে রাজাকে সাহায্য করার জন্য সম্ভবত একটি মন্ত্রীপরিষদ ছিল। পল্লব আমলের শেষ দিকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতি নির্ধারণে মন্ত্রীপরিষদ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। এর প্রমাণ মেলে পূর্বে উল্লেখিত দ্বিতীয...

হর্ষবর্ধনের দাক্ষিণাত্য অভিযান সম্পর্কে আলোচনা করো।

হর্ষবর্ধনের দাক্ষিণাত্য অভিযান সম্পর্কে আলোচনা করো।   হর্ষবর্ধন যে দাক্ষিণাত্যের চালুক্যরাজ দ্বিতীয় পুলকেশীর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলেন তা সর্বজনস্বীকৃত।এছাড়া চালুক্যরাজ দ্বিতীয় পুলকেশীর আইহোল প্রশস্তি এবং তাঁর পরবর্তীকালের শাসকদের নিরপান, করনুল ও তোগরচেদু শিলালেখতে হর্ষ-পুলকেশী সংঘাত এবং তার বিবরণ প্রাধান্য পেয়েছে। এই সংঘাতের আনুমানিক তারিখ ৬৩০-৩৪ খ্রিস্টাব্দ   উত্তরভারতের খ্যাতিসম্পন্ন পরাক্রমশালী শাসকের সঙ্গে দাক্ষিণাত্যের সামরিক প্রতিভাসম্পন্ন শাসকের যে যুদ্ধ বেধেছিল।এর পিছনে প্রধান কারণ ছিল বাণিজ্যিক তথা অর্থনৈতিক।    হর্ষবর্ধন ও পুলকেশী উভয় শাসকই পশ্চিম ভারতের উপকূল সংলগ্ন বাণিজ্যিক বন্দরগুলি দখল করতে প্রয়াসী হয়েছিলেন। চীনা পর্যটক হিউয়েন সাঙের বিবরণের আলোকে বন্দরগুলির গুরুত্ব উপলব্ধি করা যেতে পারে।ব্রোচ-এ সমুদ্রের লোনা জল থেকে লবণ প্রস্তুত করা হত। রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণাধীনে লবণ তৈরি খনিজ সমৃদ্ধির পরিচয় দেয়।  ব্রোচ-এর নিকটবর্তী অ-ট-লি বন্দরের বর্ণনা দিতে গিয়ে চীনা পর্যটক বলেছেন যে, সেখানের অধিবাসীরা ছিলেন সমৃদ্ধিশালী ও উন্নত এবং কৃষকদের তুলনায় ...

হর্ষবর্ধনের সিংহাসন আহরণ ।

   হর্ষবর্ধনের সিংহাসন আহরণ। রাজনৈতিক আবর্তের মধ্য থেকেই হর্ষবর্ধনের সিংহাসনে আরোহণ ঘটে। তাঁর সিংহাসনে আরোহণের ব্যাপারে তাঁর সভাকবি বাণভট্ট ও চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ-এর বিবরণ থেকে তথ্য পাওয়া গেলেও উভয়ের বর্ণনায় কিছুটা অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়। বাণভট্ট থানেশ্বরের সিংহাসনে হর্ষবর্ধনের আরোহণের উল্লেখ করলেও হিউয়েন সাঙ হর্ষবর্ধন ও তাঁর পূর্বসূরিদের কনৌজের শাসক বলে উল্লেখ করেছেন। হিউয়েন সাঙ এই বিষয়ে যে বর্ণনা দিয়েছেন তা হল রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর রাজ্যে বিশৃঙ্খলা এড়াতে রাজ-অমাত্য পো-নি বা ভান্ডির নেতৃত্বে কনৌজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা হর্ষবর্ধনকে তাঁদের রাজ্যের শাসনভার গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানালে তিনি প্রথমে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন। পরে বোধিসত্ত্ব অবলোকিতেশ্বর-এর আদেশে তিনি এতে সম্মত হন এবং ‘মহারাজ' অভিধা গ্রহণের পরিবর্তে কেবল ‘কনৌজের রাজা' এই অভিধা গ্রহণের স্বীকৃতি পান। রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর পর তাঁর ছোটভাই যে থানেশ্বরের সিংহাসনে বসেছিলেন ।থানেশ্বরের সিংহাসনে আরোহণ ছিল তাঁর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্তি। প্রকৃত ঘটনা হল এই যে মালবরাজ কর্তৃক কনৌজের মৌখরীরাজ গ্রহবর্মণের মৃত্যু...

পরবর্তী বৈদিক যুগে নারীদের অবস্থান কেমন ছিল।

  পরবর্তী বৈদিক যুগে নারীদের অবস্থান কেমন ছিল।   ঋগ্বৈদিক যুগের তুলনায় পরবর্তী বৈদিক যুগে নারীর অবস্থান ও মর্যাদার অবনতি ঘটেছিল। একথা অবশ্য সত্য যে, পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নারীর উচ্চ প্রশংসা করা হয়েছে। শতপথ ব্রাহ্মণে বলা হয়েছে যে স্ত্রী হলেন স্বামীর অর্ধাঙ্গিনী। এছাড়া, ব্রাহ্মণসমূহে স্ত্রী-র সঙ্গে ‘পত্নী' শব্দটির নিয়মিত ব্যবহার লক্ষ করা যায়। এর থেকে অনুমান করা সম্ভব যে স্বামীর জীবনে সামাজিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে সমান অংশীদার ছিলেন স্ত্রী। 'জায়া' হিসাবে তিনি দাম্পত্য জীবনকে মধুময় করে তুলতেন।   তৎকালীন শিক্ষা ও সংস্কৃতির প্রগতিতে নারীদের যথেষ্ট ভূমিকা ছিল। গার্গী ও মৈত্রেয়ীর মতো এমন কিছু নারীর আবির্ভাব এ যুগে ঘটেছিল যাঁরা দর্শনতত্ত্বের আলোচনায় অংশগ্রহণ করতেন। এসব কিছু সত্ত্বেও ব্রাহ্মণসমূহ ও অন্যান্য পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যগুলিতে নারী সম্পর্কে যে সমস্ত কথা উচ্চারিত হয়েছে তা মোটেই তার উন্নত অবস্থান প্রমাণ করে না। খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতকে রচিত মৈত্রায়ণী সংহিতায় বলা হয়েছে যে নারী অশুভ, মিথ্যাচারিণী এবং সর্বোপরি সুরার মতো একটি ব্যসন মাত্র। প্রধানত পুত...

ঋক বৈদিক সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল।

  ঋক বৈদিক সমাজে নারীর অবস্থা কেমন ছিল।   ঋ গ্বেদে নারীর স্থান ও মর্যাদা সম্পর্কে সরাসরি কোনো উক্তি নেই। তবে নানা উপমা থেকে এ সম্পর্কে ধারণা লাভ করা সম্ভব হয়েছে। ঋগ্বেদের বিভিন্ন স্তোত্র থেকে জানা যায় যে, গৃহের অভ্যন্তরে নারী সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিতা ছিলেন। এছাড়া স্বামীর সঙ্গে বিভিন্ন যজ্ঞানুষ্ঠানেও তিনি অংশগ্রহণ করতে পারতেন। অর্থাৎ কেবল গৃহলক্ষ্মীর ভূমিকাতেই নারী অবতীর্ণ থাকেনি। স্ত্রীশিক্ষার প্রচলনও সে-যুগে ছিল। ঘোষা, অপালা, বিশ্ববারা, লোপামুদ্রা, গোধা প্রমুখ শিক্ষিতা মহীয়ষী নারীর পরিচয় এ যুগে পাওয়া যায়।   ওপরে উল্লেখিত নারী নিজে তাঁর জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়ার বিষয়টিও নারী স্বাধীনতার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু কার্যত নারী কতখানি স্বাধীনতা ভোগ করত সে-বিষয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, তৎকালীনরীতি অনুসারে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীকে পুরুষের অভিভাবকত্বে থাকতে হত। বিবাহের আগে পর্যন্ত পিতার অধীনে এবং বিবাহের পর স্বামীর অধীনে কিংবা বিবাহ না হলে তাঁর ভাইদের অধীনে থাকার রীতি প্রচলিত ছিল। এছাড়া, নারী হরণের কথাও মাঝে মাঝে ঋগ্বেদে উল্লেখিত হয়েছে।  ঋগ্বৈদিক যুগের সমাজে পরিবা...

হর্ষবর্ধনের কৃতিত্বের মূল্যায়ন।

হর্ষবর্ধনের কৃতিত্বের মূল্যায়ন।  সিংহাসনে আরোহণের সময় তাঁর পিতৃবংশ পৃষ্যভৃতি এবং ভগিনীর সূত্রে প্রাপ্ত কনৌজের মৌখরী রাজবংশে এক জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।একদিকে বাবা-মার মৃত্যু, দাদা রাজ্যবর্ধনের নিহত হবার ঘটনা এবং একমাত্র ভগ্নী রাজ্যশ্রীর স্বামীহারা অবস্থা। তাঁর হৃদয়কে ক্ষত-বিক্ষত করে তুলেছিল।এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মাত্র ষোলো বৎসর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করে তিনি সাম্রাজ্যকে বিস্তৃত রূপ দিয়েছিলেন তাই নয়, আনুমানিক ৬৪৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত আমৃত্যু বলিষ্ঠতার সঙ্গে শাসন চালিয়ে গিয়েছিলেন।   পূর্ব পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশের এক বৃহৎ অংশ, পরবর্তীকালে মগধ, পশ্চিমবাংলা, কঙ্গোেদ ও উড়িষ্যাকে কেন্দ্র করে জটিল আবর্তের মধ্যেও সাম্রাজ্যকে যে বৃহত্তর গণ্ডীর মধ্যে তিনি প্রসারিত করেছিলেন তা তার গৌরবের স্মারক। আসলে পরিস্থিতি ছিল জটিল। তাকে নিজ পক্ষে এনে নিজ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার কাজে তিনি সফল হয়েছিলেন। শশাঙ্কের মতো অসীম মনোবল ও বীরত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব সত্ত্বেও সাম্রাজ্যকে যে তিনি অটুট রেখেছিলেন তা তাঁর অপরিসীম কৃতিত্বের সাক্ষ্য বহন করে। হর্ষবর্ধন নিশ্চিতভাবে সমকালীন উত্...

সাবিত্রীবাঈ ফুলে কে ছিলেন? সমাজ সংস্কারের কাজে তিনি কিভাবে শিক্ষাকে সহায়ক হিসেবে গ্রহণ করেন তা আলোচনা কর।

সাবিত্রীবাঈ ফুলে কে ছিলেন? সমাজ সংস্কারের কাজে তিনি কিভাবে শিক্ষাকে সহায়ক হিসেবে গ্রহণ করেন তা আলোচনা কর।            ১৮৩১ এর ৩রা জানুয়ারী মহরাষ্ট্রের সাতারা জেলার নাইগাঁও নামক স্থানে ও বি সি শ্রেণিভূক্ত মালি সম্প্রদায়ের দম্পতি লক্ষ্মী ও খান্ডোজি নেভেসে পাতিল এর জ্যেষ্ঠ কন্যা রূপে সাবিত্রীবাঈ এর জন্ম। ৯ বছর বয়সে সাবিনীবাঈ এর বিবাহ হয় ১৩ বছর বয়সী জ্যোতিরাও ফুলের সঙ্গে। বস্তুত সেই সময় কেবল ব্রাহ্মণগন প্রথাগত বিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করতে পারতেন সকলের জন্য রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি, কেবল মিশনারী স্কুলগুলি সকল শ্রেণীর জন্য উন্মুক্ত ছিল। এইরকম একটি প্রেক্ষাপটে ২১ বছর বয়সী জ্যোতিবা এবং ১৭ বছর বয়সী সাবিত্রী ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে নারীদের জন্য একটি বিদ্যালয় স্থাপন করেন। ভারতে এটিই ভারতীয়দের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত নারীদের জন্য প্রথম বিদ্যালয়। সাবিত্রীর শিক্ষার পাঠ প্রথম শুরু হয়েছিল তার নিজের বাড়িতে স্বামী জ্যোতিবার হাত ধরে। তারপর তিনি আহমেদনগরে একটি মার্কিন মিশনারী দ্বারা পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষক শিক্ষণের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং পুলের...

নারী শিক্ষার সমস্যা গুলি আলোচনা করো।

নারী শিক্ষার সমস্যা গুলি আলোচনা করো। 1) মেয়েদের শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের নর্থক মানসিকতা ও চিন্তাভাবনা, বিশেষত মফস্ব ও গ্রামাঞ্চলে। 2) বিদ্যালয় ও কলেজ স্তরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে শিক্ষিকার অভাব, প্রাথমিক স্তরের বিদ্যালয়গুলিতে ৪৭% নারী শিক্ষক রয়েছে। 3) বিদ্যালয়গুলিতে কাঠামোগত সমস্যা বিশেষত শোচাগার না থাকা। সাম্প্রতিক কালে মধ্যভারতের কিছু জেলায় সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে প্রায় ৫৮% প্রাথমিক স্কুলে কোন শিচাগার নেই, প্রায় সমপরিমাণ স্কুলে পানীয় জলের কোন সুবন্দোবস্ত নেই।   4) উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজ এর দূরত্ব বাড়ি থেকে দূরে, কখনও কখনও গ্রামাঞ্চলে তা ১০ মাইলের এর বেশী দুরত্বে অবস্থিত, ফলে ছাত্রীদের পক্ষে দৈনন্দিন যাতায়তে অসুবিধা। সরকারী উদ্যোগে কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে ছাত্রীদের জন্য হোস্টেলের ব্যবস্থা করা হলেও তার প্রয়োজনের তুলনায় তাৎপর্যপূর্ণভাবে অপ্রতুল। 5) এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ছাত্রীদের উপর শারীরিক নিগ্রহ বা যৌন নির্যাতনমূলক ঘটনা সমগর ব্যবস্থাপনার উপর অনাস্থা তৈরী করেছে।   6) ইউনিফর্ম, পাঠ্যপুস্তক কেনা, যাতায়ন ও আনুষাঙ্গিক ...