Posts

Showing posts from February, 2023

তরিকত কাকে বলে

তরিকত কি / কী। তরিকত কাকে বলে  তরিকত শব্দের অর্থ নিয়ম বা পদ্ধতি। সর্বাঙ্গ সুন্দরভাবে ইবাদত করে নফসকে কন্ট্রোল করাকে তরিকত বা তরীকত  বলে।  

বাগদাদ চুক্তি কী

বাগদাদ চুক্তি কী / বাগদাদ চুক্তি কি । মধ্য প্রাচ্যে রাশিয়ার প্রভাব প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে আমেরিকার উদ্যোগে এপ্রিল মাসে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে বাগদাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ইরাক, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইংল্যান্ড। আমেরিকার উদ্যোগে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও সরকারীভাবে তারা এই চুক্তি-জোটের সদস্য ছিল না। এটি বাগদাদ চুক্তি নামে পরিচিত। ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে ইরাক এই জোট ত্যাগ করলে বাগদাদ চুক্তি জোট CENTO (সেন্টো) নামে পরিচিত হয়। ১৯৫৫–৫৮ খ্রিস্টাব্দ সময়কালে CENTO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত ছিল ইরাকের বাগদাদ শহরে এবং ১৯৫৮–৭৯ খ্রিস্টাব্দ সময়কালে তুরস্কর আঙ্কারা শহরে।

মথুরা শিল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর

মথুরা শিল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য বর্ণনা কর। মথুরা শিল্পের বৈশিষ্ট্য লেখ। ভূমিকাঃ সমৃদ্ধিশালী নগরী হিসাবে মথুরার খ্যাতি বহু প্রাচীনকাল থেকেই বিরাজমান ছিল। কতকগুলি বাণিজ্যপথের সংযোগস্থল হওয়ায় অর্থনৈতিক দিক থেকে মথুরা ছিল সমৃদ্ধ। শিল্পেরও সেখানে বিকাশ ঘটেছিল অভাবনীয়ভাবে। মথুরা ভাস্কর্য শিল্প বিকশিত হয়েছিল কুষাণ আমলে, যদিও এর সূচনাকাল অনেক আগেই। মথুরা ছাড়াও এই শিল্পের নিদর্শন পাওয়া গেছে পার্শ্ববর্তী সারনাথ, সাহেত-মাহেত (শ্রাবস্তী) এবং কোসাম (কৌশাম্বী)- এ। খ্রিস্টীয় প্রথম শতাব্দীতে কণিষ্কের সময় থেকেই মথুরার শিল্পীদের অভাবনীয় দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যায়। মথুরা শিল্পের বৈশিষ্ট্যঃ 1) মথুরা শিল্পের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল   সারনাথ যাদুঘরে রাখা কণিষ্কের রাজত্বের প্রথমদিকে নির্মিত দণ্ডায়মান বোধিসত্ত্ব মূর্তি গুলি। উচ্চতা দশ ফুট এবং প্রশস্ত তিন ফুট। এই মূর্তিটিতে শাক্যমুনি বা বুদ্ধের পা দুটি দৃঢ়ভাবে রক্ষিত বা দণ্ডায়মান অবস্থায় দেখা যায়। তাঁর ডান হাত অভয় মুদ্রায় স্কন্ধ পর্যন্ত বিস্তৃত, বাম হাতটি নিতম্বের ওপর স্থাপিত এবং শরীরের উর্ধ্বাঙ্গের পোশাক ঐ হাত দিয়েই ধরা আছে। ডান স্কন্ধ আবরণহী...

সভা ও সমিতির প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি কী ছিল

Image
সভা ও সমিতির প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি কী ছিল। সভা ও সমিতির প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো। ভূমিকাঃ সভা ও সমিতি নামে দুটি জনপ্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিমূলক সংগঠনের অস্তিত্ব ঋগ্বৈদিক যুগে বজায় থাকার ফলে রাজার ক্ষমতা অনেকখানি সংকুচিত হয়েছিল। বস্তুতপক্ষে ‘সভা’ ও ‘সমিতি' ছিল মূলত ঋগ্বৈদিক যুগের শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান অঙ্গ।  সভা ও সমিতির প্রধান বৈশিষ্ট্য 1) সভা ও সমিতির প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল প্রভাব প্রতিপত্তি। রাজার কাজকর্মের ওপর সভা ও সমিতি এই দুটি পরিষদের প্রভাব ছিল অপরিসীম। তবে ‘সভা'র তুলনায় সমিতির জনপ্রিয়তা ছিল বেশি। সভা ও সমিতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সম্পদশালী ব্যক্তিরা প্রধানত ‘সভা'র সদস্য হতেন। 2) সভা ও সমিতি   ছিল মূলত উপজাতীয় পরিষদ। সভা বলতে কখনো কখনো সভাকক্ষকে বোঝানো হত। অধ্যাপক কীথ সভাকে সভাকক্ষ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। জনগোষ্ঠীর অভিজাত ব্যক্তিরাই মূলত সভার সদস্য ছিলেন বা হতে পারতেন । সভা ও সমিতি 3) সভা ও সমিতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল সভায় সামাজিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলার আয়োজন এবং সেখানে পাশা খেলা হতো। 4) সভার গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল এটি প্রবীণ এবং গুরু...

মৌর্য পরবর্তী যুগে ভারত রোম বাণিজ্যের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর

Image
মৌর্য পরবর্তী যুগে ভারত রোম বাণিজ্যের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর। ভূমিকাঃ মৌর্য পরবর্তী যুগে ভারত রোম বাণিজ্যের প্রকৃতি  তথা প্রাচ্যের সঙ্গে পাশ্চাত্যের যে বাণিজ্য চলাচল হত, তাতে আমদানি ও রপ্তানি উভয় ক্ষেত্রেই কোন কোন পণ্যদ্রব্য স্থান পেয়েছিল। ভারতবর্ষের সঙ্গে রোম তথা পাশ্চাত্য জগতের বাণিজ্যিক সংযোগ স্থাপনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল উপকূল সংলগ্ন বন্দরগুলি। পশ্চিম ও পূর্ব—উভয় উপকূলের তৎকালীন বহু বন্দর ও বাণিজ্যিক বাজারের উল্লেখ পাওয়া যায় পেরিপ্লাস অব্ দ্য এরিথ্রিয়ান সী এবং টলেমির ভূগোল-এ। মৌর্য পরবর্তী যুগে ভারত রোম বাণিজ্যে পশ্চিম উপকূলের বন্দরের সংখ্যা ছিল বেশি এবং পূর্ব উপকূলের তুলনায় সেগুলি ছিল বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মৌর্য পরবর্তী যুগে ভারত রোম বাণিজ্যের প্রকৃতি  রোমান সাম্রাজ্য আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তর হলেও তার অন্তর্ভুক্ত সমস্ত প্রদেশগুলি সামগ্রিক দিক থেকে আত্মনির্ভরশীল ছিল না। অথচ সুখস্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে এবং কিছুটা সচ্ছলতার সঙ্গে বেঁচে থাকার আগ্রহ তাদের ছিল। স্বাভাবিকভাবেই এই প্রয়োজন মেটানোর তাগিদে রোমের সম্রাটদের কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের জন্য প্রাচ্যের দেশগুলির ...

শিক্ষাশ্রয়ী সমাজবিদ্যা বলতে কী বোঝ

শিক্ষাশ্রয়ী সমাজবিদ্যা কাকে বলে। শিক্ষাশ্রয়ী সমাজবিদ্যা বলতে কী বোঝ শিক্ষাশ্রয়ী সমাজবিদ্যা বলতে বোঝায় বিজ্ঞান, যা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক গোষ্ঠী এবং সামাজিক পদ্ধতিসমূহকে বর্ণনা করে এবং ব্যাখ্যা করে অর্থাৎ সামাজিক সম্পর্কগুলো যার মধ্যে বিদ্যমান এবং যার মধ্য দিয়ে ব্যক্তি লাভবান হয় এবং তার অভিজ্ঞতাকে সংগঠিত করে। মরিস জিনসবার্গ (Moris Ginsberg) -এর মতে সমাজবিদ্যা (sociology) হল সেই তত্ত্ব যেখানে মানুষের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া (Interaction), অবস্থান, ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তাই এই সমাজবিদ্যা আত্মবিশ্লেষণ, আত্মমূল্যায়ন, অভিযোজন প্রভৃতি বিকাশে সহায়তা করে। গিডেন্‌স (Giddens) -এর মতে, যে তত্ত্বে সামাজিক জীবনধারার পর্যালোচনা করা হয় এবং সমাজের বাসিন্দা হিসেবে সমাজের মানুষের আচরণবিধি তুলে ধরা হয়, তা হল সমাজবিদ্যা। ব্রাউন (Brown) -এর মতে ব্যক্তি ও সমাজের অন্তরঙ্গ সম্পর্ক যে বিজ্ঞানে আলোচিত হয়, তা হল শিক্ষাশ্রয়ী সমাজবিদ্যা , যা কেবল সমাজের অন্তর্গত বিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়, বরং সমাজে যে সমস্ত সংস্থা আছে যেমন পরিবার, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায় প্রভৃতির ...

বসুন্ধরা সম্মেলনে গৃহীত যে কোন 4টি নীতি লেখ

Image
বসুন্ধরা সম্মেলনে গৃহীত যে কোন 4টি নীতি লেখ। Q- বসুন্ধরা সম্মেলনে গৃহীত যে কোন 4টি নীতি লেখ। অথবা, বসুন্ধরা সম্মেলনে গৃহীত যে কোন ৪ টি নীতি বা পদক্ষেপ লেখ। (1)   বসুন্ধরা সম্মেলন হয়েছিল ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে ।  বসুন্ধরা সম্মেলনে গৃহীত নীতি গুলির মধ্যে অন্যতম ছিল পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ। দেশের বর্তমান ও আগামী প্রজন্মের চাহিদা পূরণের কথা মাথায় রেখে পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ করতে হবে। রাষ্ট্রপুঞ্জের সনদ, আন্তর্জাতিক আইন এবং দেশের পরিবেশ নীতি অনুসারে কোনো দেশের প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহারের সমস্ত অধিকার সেই রাষ্ট্র তথা দেশের কাছেই থাকবে। তবে এ বিষয়ে লক্ষ রাখতে হবে যে কোনো দেশের অভ্যন্তরীন ক্রিয়াকলাপের জন্য দেশের বাইরে প্রতিবেশী দেশ বা অঞ্চল যেন ক্ষতিগ্রস্ত না। (2) বিশ্বের সমস্ত দেশগুলিকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে পরিবেশের উন্নতি ও সুরক্ষার বিষয়গুলিকে গুরুত্ব সহকারে বিচার করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে উন্নয়নশীল ও অপেক্ষাকৃত কম উন্নত দেশগুলির ক্ষেত্রে এবং যেসব দেশের পরিবেশ সংকটজনক, তাদের ক্ষেত্রে তাদের সমস্যা সমাধানের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। বস...

অনুবাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করো

Image
অনুবাদের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনা করো। কোনো এক ভাষায় উপস্থাপিত বক্তব্য, ভাব, তথ্য বা বিষয়কে অন্য ভাষাভাষী মানুষের কাছে গ্রহণ যোগ্য করার জন্য সেই বক্তব্য, ভাব, তথ্য বা বিষয়কে অন্যান্য ভাষায় পরিবেশন করাকেই বলা হয় অনুবাদ। এক কথায় অনুবাদ হ'ল বিষয়ের ভাষা পরিবর্তন। এক পাত্রের সামগ্রী অন্য পাত্রে রাখার মতো। পাত্র পরিবর্তন করলেও যেমন সামগ্রীর পরিবর্তন হয় না; তেমনি ভাষা পরিবর্তন করলেও বিষয়ের পরিবর্তন হবে না, ভাব ও বক্তব্য একই থাকবে, তবেই হবে যথার্থ অনুবাদ। কবিতা, কাব্য, গল্প, উপন্যাস, পত্র, বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস – সমস্ত বিষয়েরই অনুবাদ হ'তে পারে। মানুষের প্রয়োজনেই অনুবাদ বা ভাষান্তরের সূচনা হয় এবং তার গুরুত্বও বাড়ে। অনুবাদের প্রয়োজনীয়তাঃ (1) কোনো এক ভাষায় উপস্থাপিত বক্তব্য, ভাব, বিষয়, তথ্য, সত্য বা সাহিত্য যদি অন্য ভাষাভাষী মানুষের কাছেও প্রয়োজনীয়, গ্রহণযোগ্য ও আস্বাদনীয় হবে— উপকারে লাগবে বলে মনে হয়, তাহলে তা' অন্য ভাষাভাষী মানুষের গ্রহণযোগ্য করতেই এই ভাষান্তরের অনুবাদের   প্রয়োজন হয়। (2) এক বিষয়কে বহু ভাষায় অনুবাদ করা যায় প্রয়োজনানুসারে। ইংরেজিতে লেখা...

হাকিকত কি

হাকিকত কাকে বলে। হাকিকত কী হাকিকত বা হাক্বীক্বত এর অর্থ  বাস্তব বা সত্য। ইখলাস ও আইনুল ইয়াকীন সহকারে মুশাহিদা করাকে হাকিকত বা হাক্বীক্বত বলে।

সামাজিক পরিবর্তনের বিভিন্ন বাধা গুলি কী কী

Image
সামাজিক পরিবর্তনের বিভিন্ন বাধা গুলি কী কী / সামাজিক পরিবর্তনের বাধা সমূহ ।   ভূমিকা: সামাজিক পরিবর্তন সর্বজনীন। সামাজিক পরিবর্তন ধারাবাহিকভাবে হবে না। এটি ক্রমান্বয়ে ধীরে ধীরে কিছু সুগম, কিছু দুর্গম পথ অতিক্রমের শেষে তা দেখতে পাওয়া যায়। যেমন সতীদাহ প্রথা, বহুবিবাহ প্রথা, বাল্যবিবাহ, তিন তালাক প্রভৃতি প্রথা, রক্ষণশীল সমাজের বুক থেকে একেবারে দূর না হলেও ঐকান্তিক চেষ্টায় ওগুলো অনেকটাই দূর হয়েছে। সামাজিক পরিবর্তনের বাধা সমূহ [1] সুদীর্ঘদিনের অভ্যাস: দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা অভ্যাস রীতিনীতি সংস্কৃতি প্রভৃতি মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। যেগুলি মানুষকে দাসে পরিণত করে রেখেছে সেগুলি ছেড়ে নতুনকে গ্রহণ করতে মানুষ চায় না। সুতরাং দীর্ঘদিনের অভ্যাস, সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। [2] ঐতিহ্যবাহী অতীতের প্রতি আকর্ষণঃ বংশানুক্রমিক ভাবে চলে আসা ঐতিহ্যবাদী রীতিনীতি অভ্যাস, আচার-আচরণ, বিশ্বাস, প্রতি মানুষ সংবেদনশীল। এই সংবেদনশীলতার জন্য মানুষ অতীতকে ধরে রাখতে চায়, অতীতের ধারায় সে যেন সিও হতে চায়। লাভ বা ক্ষতির ঊর্ধ্বে নিজেকে রেখে খারাপকেও বরণ করে নিতে চায়। এই আবেগপ্রবণতা...

শরিয়ত কাকে বলে

শরিয়ত কাকে বলে। শরিয়ত কী / কি। পরম করুনাময় আল্লাহ রব্বুল আলামীন ও তার শেষ নবী ও রসূল হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর জাহেরী আদেশ-নিষেধকে শরিয়ত (শরীয়ত) বলা হয় ।

নারী উন্নয়নে এনজিওর ভূমিকা

Image
নারী উন্নয়নে NGO এর ভূমিকা Q – নারী উন্নয়নে এনজিও ভূমিকা  অথবা, নারীর ক্ষমতায়নে এনজিওর ভূমিকা। সমগ্র বিশ্ব জুড়ে নারী উন্নয়নে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে বেশ কিছু ' NGO' (Non-Government Organizations)। বিশ্বব্যাঙ্ককৃত বিভাজন অনুসারে 'NGO'গুলিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়– Operational NGO  বা কোন কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন । Advocay NGO অর্থাৎ যে সংগঠনগুলি সরকারী কোন কাজের বা নীতির বিরুদ্ধে বা কোনো বিশেষ বিষয়ের পক্ষে প্রচারমূলক কাজ করে থাকে। নারীর উন্নয়নে এনজিও (NGO) এর ভূমিকা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হিসাবে পরিচিত এনজিও (NGO) বেসরকারী সংগঠনগুলি কার্যত সরকার দ্বারা পরিচালিত হয় না। শিশুদের অধিকার রক্ষা, নারীদের অধিকার রক্ষা, পরিবেশ রক্ষা,মহামারি, বন্যারাণ, দুর্ভিক্ষ ইত্যাদি নানান বিপর্যয় কবলিত মানুসকে সাহায্য করা, তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, ইত্যাদি নানান মানবিক কাজের মধ্যে দিয়ে 'NGO' গুলি সামাজিক বা গোষ্ঠীজীবনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। নারী উন্নয়নে কর্মরত বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বা ‘NGO’ এর ভূমিকা নিম্নে উল্লেখ করা হলো – Snehalaya ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে ...

Distance Education council সম্পর্কে আলোচনা কর

Image
Distance Education council সম্পর্কে আলোচনা করো। প্রথাগত শিক্ষার পাশাপাশি দূরাগত শিক্ষার মাধ্যমে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষার্থীরা যাতে উৎপাদনে সক্ষম হয় ও শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয় তাই সকলের শিক্ষার সুযোগের জন্য দূরাগত শিক্ষার ক্ষেত্রে Distance Education Council সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। তাই দূরাগত শিক্ষা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় উপস্থাপন করা হয়েছে পাঠক্রমে গুণগত বৈশিষ্ট্য গুলি দূরাগত শিক্ষার ক্ষেত্রে এখনো অনেক উন্নয়নের প্রয়োজন এবং সেই উন্নয়নের লক্ষ্যে Distance Education Council দূরাগত শিক্ষার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী শিক্ষামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। Distance Education Council দূরাগত শিক্ষার উন্নয়নের জন্য Distance Education Council শিক্ষার সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য শিক্ষার সঠিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা study centre computer প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ইত্যাদি সুবিধার মাধ্যমে শিক্ষাকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যম হিসেবে এই দিকগুলি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে প্রথাগত শিক্ষার অনুরূপ বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দূরা...