Posts

Showing posts from August, 2023

প্রাচীন রোমের দাস ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি নিবন্ধ লেখ

Image
প্রাচীন রোমের দাস ব্যবস্থা সম্পর্কে একটি নিবন্ধ লেখ। প্রাচীন রোমের সমাজ ব্যবস্থায় দাস ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোমে যুদ্ধবন্ধিদের দাসে পরিণত করা হতো। তাছাড়া জলদস্যু ও ব্যবসায়ীরা ভিনদেশ থেকে বন্দী মানুষদের রোমের বাজারে দাস হিসেবে বিক্রি দিত, এদের ক্রীতদাস বলা হত । রোম ছাড়াও ইতালির অন্যান্য নগর গুলিতেও দাস বাজারের পরিচয় পাওয়া যায়। ধনী রোমানদের বড় বড় কৃষি খামার ছিল যেখানে প্রায় সব কাজকর্মে জন্যেই দাসদের নিযুক্ত করা হতো। অনেক সময় ক্রীতদাসদের কর দেওয়া নেওয়া ও ব্যবস্থা ছিল। প্রকৃতপক্ষে প্রাচীন রোমের দাস ব্যবস্থা ছিল অমানুষিক অত্যাচারের নামান্তর। কৃষিকাজ ছাড়াও সামুদ্রিক বাণিজ্যে মানুষদের দাঁড় টানা এবং মালপত্র ওঠানো নামানোর জন্য দাসদের ব্যবহার করা হতো। খনির কাজেও দাসদের বিশেষ প্রয়োজন ছিল। দাসদের সংখ্যাও ছিল অভিজাত্য নির্ণয়ের মাপকাঠি। বেশি সংখ্যক দাস মালিকরা সমাজের বিশেষ সম্মানিত ছিলেন। সাধারণত যুদ্ধবন্দীরা রাষ্ট্রীয় দাসে পরিণত হতো। রাষ্ট্রের অধীনস্থ খনি অস্ত্রের কারখানা প্রভৃতি ছাড়াও সামরিক বাহিনীতে কায়িক পরিশ্রমের জন্য তাদের বিশেষ মর্যাদা ছিল। রাস্তাঘাট নির্মাণে...

ইতিহাস কি বিজ্ঞান ? আলোচনা কর

Image
ইতিহাস কি বিজ্ঞান? আলোচনা কর। ইতিহাস কি সত্যিই বিজ্ঞান পদবাচ্য হতে পারে, অনেকেই ইতিহাসকে বিজ্ঞান বলে মনে করেন কারণ নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে ঘটনার বাস্তব ব্যাখ্যা ও মৌল সত্য উদ্ঘাটন করাই ইতিহাসের ধর্ম। ইতিহাস শব্দটির উদ্ভব গ্রীক শব্দ ইস্তোরিয়া বা 'istoria' থেকে যার অর্থ অনুসন্ধান, অন্বেষণ ও তথ্য। অন্যদিকে বিজ্ঞান বা ‘Science' কথাটি এসেছে লাতিন শব্দ 'Scientia' থেকে যার অর্থ হল “sytematic and fundamental knowledge” অর্থাৎ সুসংবদ্ধ মৌলিক জ্ঞান। ফরাসী ইতিহাসদার্শনিক তথা গণিতজ্ঞ অগস্ট কোমতে বলেন যে, বিজ্ঞানচর্চায় বীজগণিতের সূত্র দিয়ে যেমন একটি অর্ধবৃত্তকে পরিমাপ করা যায়, তেমনই সাধারণ নিয়মকে অনুসন্ধান করে ইতিহাসচর্চর মধ্যে দিয়ে মানবসভ্যতার চলন বা ধারাটিকেও অনুধাবন করা যায়। কোমতে ইতিহাসকে বিজ্ঞানচর্চার বস্তুতান্ত্রিক লক্ষণযুক্ত একটি “ positive philosophy" বা সদর্থক দর্শন ( ইতিহাস দর্শন )  বলে চিহ্নিত করেন। তথ্যকে নৈর্ব্যাক্তিক দৃষ্টিতে বা নিরপেক্ষ ভঙ্গিতে নির্মোহভাবে বিশ্লেষণ করার মধ্যে দিয়ে একজন ঐতিহাসিক তার ইতিহাসচর্চাকে বিজ্ঞানচর্চার মতোই অভ্রান্ততা প্রদানের চে...

इस्लाम धर्म क्या है

Image
 इस्लाम धर्म क्या है इस्लाम धर्म क्या है मुसलमानों के मज़हब का नाम इस्लाम है। इस्लाम धर्म यह सिखता है कि “ख़ुदा एक है" इबादत के लायक वही है और हज़रत मुहम्मद सल्लल्लाहु अलैहि वसल्लम अल्लाह के बन्दे और रसूल हैं। और कुरआन शरीफ़ ख़ुदा तआला की किताब है। इस्लाम सच्चा दीन है। दुनिया और आख़िरत की तमाम भलाइयाँ और नेक बातें इस्लाम सिखाता है।

खाना खाने का सुन्नत तरीका

Image
खाना खाने का सुन्नत तरीका। Khana Khane Ka Sunnat Tarika Assalamualaikum ! आज हम जानेंगे ‘ खाना खाने का सुन्नत तरीका क्या है ’   Khana Khane Ka Sunnat Tarika दोनों हाथ गटटों तक धोना और न पोछना। दस्तरख्वान बिछाना ( दस्तरख्वान ना हो तो कोई और चीज जैसे कि कोई कपड़ा बिछाले )। खाना खाने से पहले बिसमिल्लाह और खाने की दुआ पढ़ना। ( खाना खाने की दुआ : अल्लाहुम्मा बारिक लाना फिमा रजाकतना वा किना अजाबान नार। बिस्मिल्लाह व अला बराकतिल्लाह।  )  दायें हाथ से खाना । (बायें हाथ से हरगिज़ ना खाये क्योंकि शैतान बायें हाथ से खाता है )। खाना बैठ कर खाना। अपने सामने से खाना । अगर तश्तरी में कई क़िस्म की चीजें हो तो जो पसन्द हो वो खाये। किसी का हाथ बढ़ रहा हो तो अपना हाथ रोक ले। तीन उंगलियों से खाना ( तीन उंगलियों से ना खासाके तो सिर्फ सुन्नत आदा करले। ) प्याला तश्तरी को उंगलियों से चाट कर साफ करना। ( खाने वक्त बार-बार उंगलियां ना चाटे बल्कि आखिर में करना। ) अगर लुक़मा गिर जाये तो उठा कर खालेना। खाने में कोई भी ऐब ना निकालना। टेक लगा कर न खाना। ( तकिया लगा कर, या बायें हाथ पर टेक ल...

কেমন ছিল নবীজির আচরণ

Image
কেমন ছিল নবীজির আচরণ। prophet muhammad নবিজির আখলাক ছিল  সৎ চরিত্রবান তিনি ছিলেন অধিক সত্যবাদী, মিথ্যাকে সর্বাধিক ঘৃণা করতেন । তিনি ছিলেন সর্বাধিক পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী ব্যক্তিত্ব। নবীজি দীর্ঘ সময় নীরব থাকতেন। তিনি কম হাসতেন এবং মুচকি হাসতেন। সবাইকে আগে সালাম দিতেন। ঘুম থেকে জেগে মেসওয়াক করতেন; সব-সময় আল্লাহকে স্মরণ করতেন এবং তাহাজ্জুদ সালাত ত্যাগ করতেন না। সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন; বিপদে পড়লে তাৎক্ষনিক সালাতে দাঁড়িয়ে যেতেন।  নিজের জন্যে কখনোই প্রতিশোধ গ্রহণ করতেন না। যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া কাউকেও আঘাত করেননি এবং শিশুদের পরম স্নেহ করতেন। নবীজি পরিবারের সদস্যদের সাথে কোমল আচরণ করতেন; কেউ অসুস্থ হলে অসুস্থদের খোঁজ খবর নিতেন। কথা বলার সময় সুস্পষ্ট করে কথা বলতেন তিনি ছিলেন মিষ্টভাষী। তিনি উপহার বা হাদিয়া গ্রহণ করতেন। তার নিকট আগত ব্যক্তিদের কখনও অবহেলা করতেন না এবং অন্যদের ক্ষমা করে দেয়া অধিক পছন্দ করতেন। তিনি অধিক পরিমাণ সদকাহ্ বা দান করতেন, এবং কোনো খাদ্যের দোষ ধরতেন না।