Posts

Showing posts from April, 2023

সুয়েজ সংকটের কারণ বা পটভূমি

Image
সুয়েজ সংকটের কারণ বা পটভূমি ব্যাখ্যা করো। মিশরের রাষ্ট্রপ্রধান হিসাবে নাসের দ্বিবিধ লক্ষ্য নিয়ে এগিয়েছিলেন তাৎক্ষণিক লক্ষ্য হিসাবে তিনি মিশরের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিকে দৃঢ় ভিত্তিতে স্থাপন করে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী দেশে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। অপরদিকে নাসেরের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যের আরব জাতীয়তাবাদের অবিসংবাদী নায়ক হয়ে উঠা। নাসের সোভিয়েত ইউনিয়ান এবং পাশ্চাত্য জোটের সঙ্গে সমদূরত্ব বজায় রেখে উভয় পক্ষ থেকেই সামরিক ও আর্থিক সাহায্য লাভ করতে চেয়েছিলেন। ১৯৫৫ সালে নাসের ঘোষণা করেন যে সমাজতন্ত্রী রকের চেকোশ্লোভাকিয়া বিনা শর্তে মিশরকে ৮০ টি মিগবিমান, ৮৫টি বিমারু বিমান এবং ১৫৫টি ভারী ট্যাঙ্ক প্রদান করেছে বিনিময়ে মিশর ও চেকোশ্লোভাকিয়াকে তুলো ও চাল সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।  সুয়েজ সংকট দেখা দিয়েছিল যখন নাসের নীলনদের উপর আসোয়ান বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা নিলেন যা রূপায়িত হলে ৮৬,০০০ হেক্টর জমিতে সেচের সুবিধা পাওয়া যাবে এবং বাঁধ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে শিল্পের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরী করা যাবে। এই প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৪০০ মিলিয়ান ডলার, মার্কিন...

কুরবানীর পশু কেমন হওয়া উচিত

কুরবানীর পশু কেমন হতে হবে / কুরবানীর পশু কেমন হওয়া উচিত।  কুরবানী শুদ্ধ হওয়ার জন্য কুরবানীর পশু দোষমুক্ত হওয়া উচিত । অতএব নাক, কান কাটা পশুর কুরবানী জায়েয নয়। যে জানোয়ারের জিহবা কাটা এবং খাদ্য খেতে পারে না তার কুরবানীর দুরস্ত নয় ।  পূর্ণ শিং ভাঙা জানোয়ারের কুরবানী দুরস্ত নয়। কুরবানীর পশু এতটা খোঁড়া যে তিন পায়ে চলে চতুর্থ পা মাটিতে রাখতে পারে না এইরূপ জানোয়ারের কুরবানীও দুরস্ত নয়। অতিশয় দুর্বল ও কংকালসার চলতে পারে না তার কুরবানী দুরস্ত নয়। (হেদায়া-ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া) কুরবানীর জানোয়ারে একজন কিংবা একাধিক ব্যক্তির আক্বীকার নিয়তে শরিক হওয়া জায়েজ (কেফায়াতুল মুক্তি) গরু ও মহিষ ২ বৎসরের, উট ৫ বৎসরের এবং ছাগল, দুম্বা ও ভেড়া ১ বৎসরের কম বয়স্ক হলে তা জন্য দুরস্ত নয়। গরু, মহিষ, উট, সাতজনের তরফে একটি এবং ছাগল, দুম্বা ও ভেড়া একজনের জন্য একটি কুরবানী করা জায়েজ । শর্ত এই যে, কুরবানীর দাতাদের সকলের নিয়ত যেন সওয়াবের জন্য হয়, গোশত খাওয়ার জন্য না হয় ।

কঙ্গো সংকট টীকা লেখ

কঙ্গো সংকট টীকা / কঙ্গো সংকট টিকা লেখ ভূমিকা  এশিয়া এবং লাতিন আমেরিকার মতো আফ্রিকাও ঠান্ডা যুদ্ধের আবর্তে অশান্ত হয়ে উঠেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তরকালে আফ্রিকাতে সাম্রাজ্যবাদের অবসান ঘটলেও আফ্রিকার রাষ্ট্রগুলির অর্ন্তনিহিত দ্বন্দ্ব এবং সংঘাত এবং এই সংঘাতের সুযোগ নিয়ে বৃহৎ শক্তিবর্গের হস্তক্ষেপ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে অশান্ত করে তোলে। আফ্রিকার এরূপ একটি সংকটের জ্বলন্ত উদাহরণ কঙ্গো সংকট । কঙ্গো সংকট কঙ্গো ১৯৬০ সালের জুন মাসে বেলজিয়ামের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করার অব্যবহিত পরেই কঙ্গো সংকট ঘনীভূত হয়। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলান তাঁর ডায়েরীতে কঙ্গো সংকট সমকালীন পরিস্থিতিকে ১৯১৪ সালের প্রাকযুদ্ধকালীন পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করেছিলেন এবং লিখেছিলেন যে কঙ্গোর অবস্থা সার্বিয়ার মতই বিপজ্জনক। তিনি লিখেছন 'Now the Congo may play the role of Serbia. Except for the terror of nulcear power of both sides, we might easily slide into the 1914 situation'। জুন মাসে স্বাধীনতা লাভ করার পর থেকেই কঙ্গোর বিভিন্ন উপদলীয় নেতাদের মধ্যে স্বার্থদ্বন্দ্ব শুরু হয়, সেনাবাহিনীও বিদ্রোহী হয়...

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন কাকে বলে

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বলতে কী বোঝ? / জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন কাকে বলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পৃথিবী দুটি পরস্পর বিরোধী জোটে বিভক্ত হয়েছিল একদিকে ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানী, ইত্যাদি পুঁজিবাদে বিশ্বাসী রাষ্ট্রসমূহ যাকে প্রথম বিশ্ব নামে চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং অন্যদিকে ছিল সোভিয়েত রাশিয়া এবং পূর্ব ইওরোপের দেশসমূহ নিয়ে গঠিত সমাজতান্ত্রিক আদর্শে ও পরিকাঠামোয় বিশ্বাসী ব্লক যাকে বলা হত দ্বিতীয় বিশ্ব । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধান্তে এই দুই পরস্পরবিরিধী রাষ্ট্রজোট নিজেদের মধ্যে সন্দেহ, অবিশ্বাস এবং দ্বন্দ্বের পরিবেশ তৈরী করেছিল এবং বিশ্ব জুড়ে নিজ নিজ জোটের প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে তৈরী করেছিল এমন এক টেনশনের পরিস্থিতি যাকে ঠান্ডা যুদ্ধ নামে অভিহিত করা হয়। প্রায় সমসাময়িক পৃথিবী প্রত্যক্ষ করেছিল এশিয়া, আফ্রিকা এবং মধ্য আমেরিকায় উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, মরক্কো, কঙ্গো, জাইরে, জিম্বাবোয়ে, সিরিয়া, ওয়েস্ট, ইন্ডিজ, ঘানা, কেনিয়া, উগান্ডা প্রভৃতি দেশগুলি সাম্রাজ্যবাদী শাসনের হাত থেকে মুক্তি লাভ করে ও স্বাধীন...

সুয়েজ সংকটের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর

Image
সুয়েজ সংকটের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর / সুয়েজ সংকটের তাৎপর্য আলোচনা করো। সুয়েজ সংকটের তাৎপর্য : মধ্যপ্রাচ্য তথা আন্তর্জাতিক ইতিহাসে সুয়েজ সংকটের তাৎপর্য  ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, মিশর সামরিক দিক দিয়ে নিজ লক্ষ্য পূরণ করল, নাসেরের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেল, তিনি হয়ে উঠলেন আরব জাতীয়তাবাদের নতুন বীর বা ‘আধুনিক সালাদিন'। জর্ডন ইঙ্গ-জর্ডন চুক্তি বাতিল করে মিশরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করল। ১৯৫৮ সালে মিশর ও সিরিয়া অঙ্গীভুত হয়ে গঠন করল সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্র।  সুয়েজ সংকটের তাৎপর্য দ্বিতীয়ত, সামরিক দিক দিয়ে নিজ শক্তিকে প্রকাশিত করলেও ইজরায়েল শেষ পর্যন্ত অধিকৃত অঞ্চল ছেড়ে দিতে বাধ্য হল। তৃতীয়ত, সুয়েজ সংকটের ব্যর্থতা ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের পক্ষে ক্ষতিকারক হল। একদিকে নাসেরকে উৎখাতের স্বপ্ন অধরা থেকে গেল, অন্যদিকে সুয়েজ খালের উপর নিয়ন্ত্রন নষ্ট হল। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এন্টনি ইডেনের ভাবমূর্তি নষ্ট হল এবং তাঁর রাজনৈতিক জীবনে ছেদ পড়ল, ১৯৫৭ সালে ইডেন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তর রাজনীতিতেও ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের প্রভাব অবসৃত হল, অনেকেই এই কারণে সুয়েজ ...

ঠান্ডা যুদ্ধের প্রকৃতি বা চরিত্র

Image
ঠান্ডা যুদ্ধের প্রকৃতি বা চরিত্র। ভূমিকা  ঠান্ডা যুদ্ধের প্রকৃতি   নিয়ে ঐতিহাসিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে, রয়েছে নানান তাত্ত্বিক কচকচানি। মূলত তিনটি প্রধান ধারায় ঠান্ডা যুদ্ধের প্রকৃতি  সংক্রান্ত আলাপ আলোচনাকে বিশ্লেষণ করা যায়। চিরায়ত ভাষ্য ( ঠান্ডা যুদ্ধের চরিত্র মূলত আদর্শগত এবং এর জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ানের একনায়কতন্ত্রী রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং সাম্যবাদী আদর্শ দায়ী), সংশোধনাবাদী ব্যাখ্যা (ঠান্ডা যুদ্ধের মূল কারণ ছিল অর্থনৈতিক প্রভুত্ব কায়েম করার মার্কিন উদ্যোগ) এবং বাস্তববাদী ব্যাখ্যা (ঠান্ডা যুদ্ধের মূল কারণ ছিল প্রভাবাধীন অঞ্চল গঠনের জন্য সোভিয়েত প্রয়াস এবং এর বিরুদ্ধে শক্তিসাম্য বজায় রাখার জন্য মার্কিনী প্রতিক্রিয়া)। ঠান্ডা লড়াই চিরায়ত ভাষ্য চিরায়ত ভাষ্য অনুযায়ী দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্তিম লগ্ন থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মনে সাম্যবাদী রাশিয়ার উদ্দেশ্য এবং সম্প্রসারণশীল দৃষ্টিভঙ্গী সম্পর্কে সন্দেহ দানা বেঁধেছিল। মার্কিন রাষ্ট্রপতি টুম্যান স্পষ্টভাবে বলেছেন 'নাৎসী, কামিউনিস্ট, ফ্যাসিস্ট ইত্যাদি একনায়কতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলির মধ্...

শকাব্দ কে কবে প্রচলন করেন এরূপ নামকরণ হয় কেন

শকাব্দ কে কবে প্রচলন করেন এরূপ নামকরণ হয় কেন।  শকাব্দ কে প্রচলন করেন  ( শক সম্বৎ কে প্রবর্তন করেন ) এবিষয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ আছে। ওল্ডেনবার্গ, ফার্গুসনের মতে, কণিষ্ক ৭৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে বসেন এবং একটি সম্বৎ (অব্দ) প্রচলন করেন, যা পরে 'শকাব্দ' নামে পরিচিত হয়। ড. হেমচন্দ্র রায়চৌধুরি, ড. ডি সি সরকার প্রমুখ এই মত সমর্থন করেছেন। অন্যদিকে দুরেইল বলেন, ৭৮ খ্রিস্টাব্দে শকাব্দের প্রবর্তক বা শকাব্দের স্রষ্টা ছিলেন প্রথম কদফিসেস। শকাব্দ প্রচলিত হয় প্রথম কণিষ্ক ৭৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে এবং তিনিই শকাব্দের প্রবর্তক—এটি এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ ঐতিহাসিক মনে করেন। শেষোক্ত মত অনুযায়ী শকাব্দ এরূপ নামকরণ হয় কারণ  শক-ক্ষত্রপরা দীর্ঘকাল ধরে এই সম্বৎ বা অব্দ ব্যবহার করতেন তাই এরূপ নামকরণ।

শকাব্দ কী / শকাব্দ বলতে কী বোঝ

শকাব্দ কী অথবা শকাব্দ বলতে কী বোঝ। শকাব্দ হল একটি অতি পরিচিত ভারতীয় সম্বৎ। স্বাধীন ভারত সরকার শকাব্দ অনুযায়ী সরকারি তারিখ ধার্য করেন। কুষাণ সম্রাট প্রথম কণিষ্ক ৭৮ খ্রিস্টাব্দে এই সম্বৎ প্রচলন করেন যা 'শকাব্দ' নামে পরিচিত হয়। শক-ক্ষত্রপগণ এই সম্বৎ ব্যবহার করতেন। এসম্পর্কে আরো নানা প্রকার মতামত প্রচলিত আছে। র‍্যাপসনের মতে, কনিষ্কের অব্দটি পশ্চিম-ভারতে শক-ক্ষত্রপরা দীর্ঘকাল ধরে একনাগাড়ে ব্যবহার করায় এটি শকাব্দ নামে পরিচিত হয়।

বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্রের অবদান

Image
বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্রের অবদান। ভূমিকা  আধুনিক বাংলা সাহিত্যে সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ এর অব্যাহতির পরেই কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (1876-1938) আবির্ভাব ঘটে। একজন বাঙালি কবি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সাহিত্য প্রতিভার সম্বন্ধে একটি উক্তি প্রকাশ করেছিলেন উক্তিটি হল ‘পর্বতের চূড়া যেন সহসা প্রকাশ’। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্রের অবদান বাংলা সাহিত্যে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অবদান উল্লেখযোগ্য। বাংলা সাহিত্যে তার লেখা ছোটগল্প, বড় গল্প উপন্যাস ইত্যাদির প্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। তার বড়গল্প 'বড়দিদি' বা কোন ছোট উপন্যাস 'ভারতী' নামক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। 6 বছর পরে যমুনা নামক পত্রিকায় প্রকাশিত হয় 'বিন্দুর ছেলে' , 'পরিণীতা', 'বিরাজ বৌ', ও 'চরিত্রহীন', উপন্যাসের এক অংশ সাধারণ মানুষ শরৎচন্দ্রকে 'অপরাজেয় কথা শিল্পী' বলে লোকমুখে প্রসিদ্ধ করেছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উপন্যাস হল - পরিণীতা, ও বিরাজ বৌ(1914), পল্লী সমাজ, চন্দ্রনাথ, ও অরক্ষনীয়া,(1916), দত্তা (1918), গৃহদাহ (1920),...

what is the difference between rhetoric and grammar

What is the difference between rhetoric and grammar? All of us, knowingly or unknowingly, use a bit of Rhetoric or the art of pursuasive speaking when we try to express ourselves effectively (ফলপ্রসূভাবে) and beautifully (সুন্দরভাবে), Grammar seeks to teach us how to use a language correctly. Rhetoric seeks to teach us how to use a language more effectively and beautifully. In fact, Rhetoric is a branch of Grammar which primarily teaches us how to use a language more effectively and beautifully apart from teaching how to use correctly. Here is the difference between Grammar and Rhetoric . In this connection, we may take a special notice to a point the difference between rhetoric and grammar . A Grammar gives us certain rules relating to the form and construction of words, the various structures of sentences, punctuation, specific uses of words etc. Our language cannot be faultless unless we carefully observe those rules. Our language may be free from any grammatical inaccuracy and ye...

Multimedia কী / মাল্টিমিডিয়া কাকে বলে

Multimedia কী ? Q- multimedia ki / মাল্টিমিডিয়া কী / মাল্টিমিডিয়া কাকে বলে। উত্তর : আধুনিক যুগে শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে Multimedia-এর ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। Multimedia-এর সাহায্যে নির্দেশদানে বিভিন্ন প্রকার কারিগরিবিদ্যাকে প্রয়োজন মতো ব্যবহার করে নির্দেশদানের মান উন্নত করা যায়। এক্ষেত্রে একাধিক Media-এর মধ্য দিয়ে পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া করা সম্ভব হয়। Multimedia Programmer শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয় সম্বন্ধে উৎসাহিত করে। বিজ্ঞান, অঙ্ক, ইতিহাস ইত্যাদি বিষয়ের মধ্যে সমন্বয়সাধন করা সম্ভব হয়।

What is banality। How may one escape from banality

What is 'banality'? How may one escape from banality? Or, 'Every revolution in poetry is apt to be......a return to common speech'. Keeping this remark of T. S. Eliot in view, discuss how one may escape from 'banality'. Ans. : If we study the history of the poetic traditions and poetic innovations, we come across the banality in two dimensions-one is the use of traditional age-worn undis- tinguished poetic style and the other is adherence to the contemporary ordinary or common-place style in the language. The English critic, T. S. Eliot, noticed the banality of the second dimension and rightly pointed out. " Every revolution in poetry is apt to be................. a return to common speech. " It is a fact that to revitalize the language of poetry and to reach a larger number of readers easily, the poets directly draw on resources of the contemporary language and style, vocabulary including slang and most unpoetical elements. Banality in both the dime...

বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান

Image
বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আলোচনা করো। বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের অবদান। ভূমিকা  উনিশ শতকের শেষ দশক এবং বিংশ শতকের প্রথম চার দশক এই অধ শতাব্দীকালে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের যুগ হিসেবে পরিগণিত হয়। এই যুগে আরো অনেক শক্তিশালী লেখকের আবির্ভাব হয়েছিল। সাধারণ ঐতিহাসিক গ্রন্থে বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান সম্যক পরিচয় পাওয়া যায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান কাব্য সাহিত্য সাহিত্যিক প্রতিভা বহুমুখী হলেও বাংলা কাব্য সাহিত্যে রবীন্দ্রনাথের শ্রেষ্ঠ অবদান গৃহীত হয়েছে। কবিতার মধ্যে দিয়ে তিনি নিজের অন্তরের সূক্ষ্ম ও গভীর অনুভূতিকে যে রূপ দিয়েছেন এবং নিজের অন্তরের সর্বোচ্চ আধান্তিক চেতনাকে যেভাবে প্রকাশ করেছেন তার প্রতিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়, প্রথম যুগের কবিতা সংকলন ‘মানসী’ (1890) ও ‘সোনার তরী’ (1893) তার এই দুইখানি গ্রন্থে এই কবিতাগুলি যেমন অভিনব তেমনি অপূর্ব রস স্বাদ পূর্ণ মানুষের মনে যে সব সুখ দুখ আশা আকাঙ্ক্ষা, চিন্তা ভাবনা প্রভৃতির স্রোত অনবরত প্রভাবিত হয়। তা ভাষায় প্রকাশ করতে না পারায় মানুষ একটি অব্যক্ত বেদনা অনুভব করে। ...

প্রাচীন রোমের সমাজে নারীদের অবস্থা কেমন ছিল

Image
প্রাচীন রোমের সমাজে নারীর অবস্থা। রোমের সমাজে নারীদের অবস্থা কেমন ছিল । যেকোনো সমাজ ব্যবস্থার মান নির্ণয় হয় সেই সমাজের নারীর অবস্থা থেকে। প্রাচীন রোমের সমাজে নারীদের  অধিকার, ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব খুব সামান্যই জাহির করতে পারতো। প্রাচীন রোমের সমাজে বুদ্ধিমতী ও বিচক্ষণ নারীদের অবস্থা ছিল উচ্চ শ্রেণীভুক্ত। তারা তাদের জন্ম কৌলিন্য ও উচ্চ স্তরে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন কে তাদের ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি বৃদ্ধির কাজে লাগাতো। তবে খ্রিস্টপূর্ব 44 থেকে খ্রিস্টপূর্ব 30 অব্দে রুমে সমাজে যে সর্বাত্মক পরিবর্তন সূচিত হয়েছিল তথাকথিক রোমক বিপ্লব সমাজ ব্যবস্থার একটা দিক পরিবর্তন ঘটিয়ে দিয়েছিল। এর ফলে ক্রমচ্চ বিন্যস্ত রোমান সমাজে একাকারে নিচে থাকা রোমান নারীদের কর্মতৎপরতা কে উসকে দিয়ে সমাজ ও রাজনীতিতে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে। রোমের সমাজে নারীদের  গৃহমুখী করার প্রবণতা ক্রমশ কম ছিল। পিউনিক যুদ্ধে মানব সম্পদের হানি ঘটায় বহু পরিবারের কর্তৃত্ব চলে যায় বিধবা রমণীদের হাতে। তাছাড়া যুদ্ধ জয় এবং প্রজাতন্ত্র অবক্ষয়ে যুদ্ধে নারীদের রমনীর মনোভাব তাদের উত্থানকে সহজ করে দিয়েছিল। লিভি, সালাত, প্ল...

রোমে প্রজাতান্ত্রিক সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য

Image
রোমে প্রজাতান্ত্রিক সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য।প্রজাতান্ত্রিক রোমের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য। ভূমিকা তত্ত্বগতভাবে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীর রোমের সংবিধান ছিল প্রজাতান্ত্রিক। সামরিক ও অসামরিক কোন ক্ষেত্রেই বংশানুক্রমিকতা ছিল না। ম্যাজিস্ট্রেটগণ জনসাধারণ দ্বারা নির্বাচিত হতেন এবং প্রাক্তন ম্যাজিস্ট্রেটগণ সিনেটের সদস্য পদ লাভ করতেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট পদের কোন বেতন না থাকায় ধনী ব্যক্তি রায় ম্যাজিস্ট্রেট পদপ্রাপ্তি হতেন। এবং এর ফলে অভিজাত পরিবার প্রাধান্য পায় ফলে রোমের প্রজাতান্ত্রিক সংবিধানকে ধনতান্ত্রিক ও অভিজাততান্ত্রিক উভয় বলা চলে। রোমে প্রজাতান্ত্রিক সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য রোমের সংবিধান মূলত তিনটি অংশ ছিল –  সিনেট গণপরিষদ/ আইন সভা সমূহ ম্যাজিস্ট্রেটগণ সিনেট রোমে প্রজাতান্ত্রিক সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল সিনেট উপদেষ্টা পর্ষদ। প্রথমদিকে উপদেষ্টা পর্ষদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেও ক্রমে সিনেট রাষ্ট্রের প্রধান শক্তিশালী সংস্থায় পরিণত হয়। প্রাক্তন ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্য থেকে বাছাই করা 300 জনকে নিয়ে সিনেট গঠিত হতো। সিনেট নতুন আইন প্রণয়ন এর ক্ষমতা ভোগ করত। যেকোনো আইনের প্রস্তাব আইন সভা ...

মহম্মদ বিন তুঘলকের সংস্কার গুলি আলোচনা করো

Image
মহম্মদ বিন তুঘলকের সংস্কার গুলি আলোচনা করো। ভূমিকাঃ মহম্মদ বিন তুঘলকের সংস্কার গুলির মধ্যে অন্তগত ছিল ভূমি রাজস্ব সংস্কার, মুদ্রা সংস্কার, রাজধানী স্থানান্তর , দোয়াবের রাজস্ব বৃদ্ধি, তাম্র মুদ্রা প্রবর্তন এবং খোড়াসান ও কারাচল অভিযান। বিভিন্ন বিবরণের ভিত্তিতে অনুমান করা যায় যে, 1325-1335 খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মহম্মদ বিন তুঘলকের পরিকল্পনা রূপায়ণ  সচেষ্ট হয়েছিল। মহম্মদ বিন তুঘলক মহম্মদ বিন তুঘলকের সংস্কার ভূমি সংস্কার মহম্মদ বিন তুঘলকের ভূমি সংস্কার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন। তিনি এক নির্দেশ জারি করে বিভিন্ন প্রদেশের আয় ব্যায়ের হিসেব লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থা করেন। বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ভূমির রাজস্ব ব্যবস্থায় সামঞ্জস্যবিধানে সচেষ্ট ছিলেন। রাজস্ব সংস্কার ড: ঈশ্বরী প্রসাদ ও রমেশ চন্দ্র মজুমদারের মতে 1325-27 খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মহম্মদ বিন তুঘলক গঙ্গা, যমুনার মধ্যবর্তী দোয়াব অঞ্চলে ভূমি রাজস্বের হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেন। বরানির তথ্য অনুযায়ী দোয়াবে রাজস্বের হার 10-20 গুন বৃদ্ধি করা হয়েছিল। রাজ কর্মচারীরা এর সঙ্গে আক্রয়াব আদায় করার জন্য কঠোরতা অবলম্বন করলে রায়ত্তরা ক্ষুব্দ হয়। কীক...

মহম্মদ বিন তুঘলক কেন রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন

Image
মহম্মদ বিন তুঘলক কেন রাজধানী স্থানান্তর করেছিলেন। ভূমিকা  মহম্মদ বিন তুঘলকের উদ্ভাবলির শক্তি ছিল অসীম। মধ্যযুগীয় এই শাসকের প্রচলিত ব্যবস্থার গণ্ডির মধ্য থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পাদনের পরিবর্তে নিত্য নতুন করে কল্পনা গ্রহণ করে তার শাসন প্রতিভা কে বিকশিত করতে অধিক আগ্রহী ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি মধ্যে অন্তগত ছিল দোয়াবের রাজস্ব বৃদ্ধি, দিল্লি থেকে দেবগিরিতে মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তর ।  মহম্মদ বিন তুঘলকের রাজধানী স্থানান্তরঃ 1328-29 খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনতান্ত্রিক পরীক্ষা নিরীক্ষার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল দিল্লি থেকে দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তর । আদিতে দৌলতাবাদ এর নাম ছিল দেবগিরি। বরানির মতে সুলতান ভৌগোলিক পরিস্থিতির বিচারে দিল্লির তুলনায় অধিকতর একটি কেন্দ্রীয় অঞ্চলে রাজধানী স্থাপনের কথা চিন্তা করেন। দেবগিরি থেকে দিল্লি, গুজরাট, বাংলা, তেলেঙ্গানা, দূরত্ব ছিল প্রায় সমান। ইবন বতুতার বিবরণে জানা যায় যে দিল্লির অধিবাসীরা সন্তানের প্রতি বিরূপ ছিলেন তাই তাদের জব্দ করার জন্য সুলতান দিল্লি তাক করে দৌলতাবাদে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তিন...

দাম গল্পের নাট্যরূপ

Image
দাম গল্পের নাট্যরূপ। দাম গল্পের নাট্যরূপ প্রকল্প। দাম নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় চরিত্র :  সুকুমার মাস্টারমশাই বুড়ো প্রিন্সিপ্যাল প্রথম ছেলে দৃশ্য - ১  [ স্কুলে কী বিভীষিকাই যে ছিলেন মাস্টারমশাই।আমাদের অঙ্ক কষাতেন। আশ্চর্য পরিষ্কার ছিল মাথা। যেসব জটিল অঙ্ক নিয়ে আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা পণ্ডশ্রম করেছি, একবার মাত্র তাকিয়ে দেখতেন তার দিকে, তারপরেই এগিয়ে যেতেন ব্ল্যাক বোর্ডে, খস করে ঝড়ের গতিতে এগিয়ে চলতো খড়ি। হঠাৎ খড়ি ভেঙে গেলে বিরক্ত হয়ে টুকরো দুটো আমাদের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে তৎক্ষণাৎ আর একটা তুলে নিতেন, একটু পরেই আমরা রোমাঞ্চিত হয়ে দেখতুম – ছবির মতো অঙ্কটা সাজিয়ে দিয়েছেন। পৃথিবীতে যত অঙ্ক ছিল, সব যেন ওঁর মুখস্থ। কিংবা মুখস্থ বললেও ঠিক হয় না, মনে হতো, আমাদের অদৃশ্য অক্ষরে বোর্ডে আগে থেকেই কষা রয়েছে, অথচ উনি দেখতে পাচ্ছেন ঠিক, আর সঙ্গে সঙ্গে তার উপরে খড়ি বুলিয়ে চলেছেন। অঙ্কে যারা একশোর মধ্যে একশো পায়, ওঁর ভয়ে তারাই তটস্থ হয়ে থাকত। ] সুকুমার :   আমাদের মতো যেসব অঙ্ক-বিশারদের টেনেটুনে কুড়িও উঠতে চাইত না, তাদের অবস্থা সহজেই কল্পনা করা যেতে পারে। প্রকান্ড হাতের প্রচণ্ড চড...