Posts

Showing posts from February, 2024

নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা লেখ

Image
নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা / শিক্ষাক্ষেত্রে নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা । নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তা সার্থকভাবে সমাজ জীবনে বেঁচে থাকার জন্য এবং ব্যক্তির ও সমাজের উভয়ের কল্যাণের জন্য উপযুক্ত নির্দেশনা প্রয়োজন। শিক্ষার্থী সমাজ জীবনে এবং বিদ্যালয় জীবনে অন্যের সাথে সঙ্গতি বিধান করতে পারছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে যাতে উপযুক্ত বৃত্তি গ্রহণ করতে পারে সেজন্য সঠিক নির্দেশনা প্রয়োজন। শ্রেণিকক্ষে যে সমস্ত বিষয়ে পড়ানো হচ্ছে তার প্রতিটিতে ক্রম অগ্রমান হচ্ছে কিনা তা দেখা প্রয়োজন। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যেকোনো জটিল পরিস্থিতিতে সমস্যার সমাধানের জন্য নির্দেশনা প্রয়োজন। সমাজ জীবনকে সুপরিকল্পিতভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য এবং প্রত্যেক ব্যক্তির চাহিদা পূরণের জন্য নির্দেশনার প্রয়োজন হয়। শিক্ষার্থীর দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাপারে কোন ত্রুটি থাকলে তা সনাক্ত করা ও চিকিৎসা করা প্রয়োজন। সমাজে প্রত্যেক ব্যক্তির দার্শনিক সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণের জন্য উপযুক্ত নির্দেশনা প্রয়োজন। উপসংহার উপরিউক্ত নির্দেশনা বিভিন্ন দিকগুলি বিশেষ চাহিদার ফলে প্রত্যেক ব্যক্...

উনবিংশ শতকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ

Image
উনবিংশ শতকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ ব্যাখ্যা কর / পর্যালোচনা কর। পাশ্চাত্য শিক্ষা ও সংস্কৃতির স্পর্শে উনিশ শতকের চিন্তার জগতে যে আলোড়ন ঘটেছিল তার ফলে ভারতের বিভিন্ন ভাষা সাহিত্যের এক নব দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল। বলা বাহুল্য ইংরেজরা বাংলায় তাদের প্রথম সাম্রাজ্য স্থাপন করায় বাংলা সাহিত্যেই প্রথম জোয়ার এসেছিল কাব্য, নাটক, উপন্যাস, ছোট গল্প, প্রবন্ধ প্রতিটি শাখায় উনবিংশ শতকে বাংলা সাহিতের বিকাশ ঘটেছিল। বাংলা কাব্যে যুগান্তর আনে মাইকেল মধুসূদন দত্ত। কবি তার চিন্তাভাবনা ও ছন্দের জগতে তিনি এক বিপ্লব আনেন। তিনি বাংলায় সূত্রপাত কালে এক নতুন ছন্দ রীতির যার নাম ‘ অমিত্রাক্ষর ’। নতুন আঙ্গিকে তিনি লিখনের একের পর এক মহাকাব্য এর মধ্যে “ মেঘনাথ বধ ” তার খুবই প্রতিভার শ্রেষ্ঠত্ব নিদর্শন। এখানে রাবণ কে চিহ্নিত করেছেন এক ভিন্ন দৃষ্টিকোণে। এখানে রাম লক্ষণ নয় বরং রাবণ মেঘনাথই নারক সহনারকে পরিণত হয়েছেন। ‘মেঘনাথ বধ’ ছাড়াও তার রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্য গুলি হল ‘ তিলোত্তমা’, সম্ভার, বীরাঙ্গনা কাব্য প্রভৃতি। উনবিংশ শতকে বাংলা সাহিত্যের বিকাশ বাংলা সাহিত্যে গীতি কবিতার ঐতিহ্য আগাগোড়াই উজ্জ্বল আধুনিক বাংলা ক...

অষ্টাঙ্গিক মার্গ সম্পর্কে টিকা লেখ

Image
অষ্টাঙ্গিক মার্গ সম্পর্কে টিকা লেখ।   বৌদ্ধ দর্শনের অষ্টাঙ্গিক মার্গ সম্পর্কে টিকা/টীকা নিম্নে আলোচনা করা হলো – দুঃখের নিবৃত্তি ও 'মঝঝিম পন্থা' অনুশীলনের জন্য গৌতম বুদ্ধ আটটি নীতি বা আদর্শ পালনের কথা বলেছেন। এগুলি হল –  সৎবাক্য, সৎকর্ম,সৎচেষ্টা,সৎজীবিকা,সৎসংকল্প, সৎচিন্তা, সৎদৃষ্টি এবং সৎসমাধি।  এই আটটি পথ বৌদ্ধধর্মে ' অষ্টাঙ্গিক মার্গ ' নামে পরিচিত। এই সবগুলির সমন্বিত রূপ ' মধ্যপন্থা ' বলে চিহ্নিত হয়ে থাকে। কারণ, এগুলিতে কঠোর কৃচ্ছসাধনের পথ পরিহার করা হয়েছে। আবার অস্বাভাবিক অসংযমতাও এখানে পরিত্যাজ্য। এই দুই কঠোরতর মধ্যবর্তী পথ অনুসরণের ইঙ্গিত এগুলিতে থাকায়, তা " মধ্যপন্থা " নামে অভিহিত হয়ে থাকে। অষ্টাঙ্গিক মার্গ অষ্টাঙ্গিক মার্গের মধ্যে প্রথম তিনটি দৈহিক সংযম ও পরের তিনটি মানসিক সংযমকে রক্ষা করে। আর শেষের দুটির মাধ্যমে ঘটে বুদ্ধির বিকাশ। উল্লেখ্য, বৈদিক ব্রাহ্মণ্য ধর্ম বিরোধী মনোভাব এই মার্গগুলির মধ্যে বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এই পথগুলি অনুসরণের জন্য কোনো যজ্ঞানুষ্ঠানের প্রয়োজন ছিল না। স্বাভাবিকভাবেই পুরোহিতের সাহচর্য পরিত্যাজ্য হয়েছিল। অথচ সঠিকভাব...