Posts

Showing posts from January, 2023

মনা ও নিষ্ক কী

মনা ও নিষ্ক কী। মনা ও নিষ্ক কাকে বলে। ঋকবেদে ‘মনা’ও ‘নিষ্ক' নামে একপ্রকার মুদ্রার উল্লেখ আছে। এগুলি ছিল স্বর্ণমুদ্রা। তবে অনেকে মনে করেন, ‘মনা’ ছিল প্রাচীন ব্যবিলনের মুদ্রা বা ওজনের মাপ। নিস্ক ও মনা ঋকবৈদিক যুগের মুদ্রা। বৈদিক ও পরবর্তী বৈদিক সাহিত্যে ‘নিষ্ক' নামে মুদ্রার উল্লেখ থাকলেও সম্ভবত তা নিত্য ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হত না। নিষ্কের সংখ্যাও ছিল কম। অনেকে মনে করেন, ঋকবেদে উল্লেখিত ‘নিষ্ক’ প্রকৃতপক্ষে ছিল আর্যদের গলায় ব্যবহৃত স্বর্ণালঙ্কার। রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় মনে করেন, ‘নিষ্ক' ক্রমশ ওজনের মাপ থেকে মুদ্রায় পরিণত হয়। মনুস্মৃতি অনুসারে ৩২০ রতি সোনাতে এক‘নিষ্ক'।

আত্মশক্তি বৃদ্ধি আন্দোলনের দুর্বলতা

আত্মশক্তি বৃদ্ধি আন্দোলনের দুর্বলতা  বেশির ভাগ চীনা পন্ডিতেরা ছিলেন রক্ষণশীল, বৈদেশিক বিষয় এবং পাশ্চাত্যের ধাঁচে আধুনিকীকরণকে তারা নোংরা, অশালীন এবং মর্যাদাহানিকর মনে করতেন। রক্ষণশীল গোষ্ঠীর আধুনিকতার প্রতি এই বিরুদ্ধ মনোভাবের দরুন আত্মশক্তি বৃদ্ধির পরিসর সীমিত হয়ে যায়। সরকারী কর্মচারীরা স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠেছিল। ফলে অবস্থার অবনতি ঘটেছিল। ব্যক্তিগত উদ্যোগের অভাব এবং আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ আত্মশক্তি বৃদ্ধির আন্দোলনের অন্যতম দুর্বলতা ছিল । ব্যক্তিগত উদ্যোগপতি এবং সরকারী আধিকারিকদের বিরোধের মধ্যস্থতা করতে গিয়ে একটি নতুন গোষ্ঠীর উদয় হয় যাদের পদমর্যাদা ছিল আধা সরকারী এবং আধাবণিক গোছের। বাণিজ্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অযোগ্য সরকারী কর্মচারীরা নেওয়ার ফলে সংস্থার ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। Merchants' Steamship Navigation Company -র মত লাভজনক সংস্থার অর্থ রুগ্ন শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে মৌলিক বিষয় হল সরকারী আধিকারিকরা সংস্থার বাণিজ্যিক লাভের বিষয়ে একেবারেই উদ্বিগ্ন ছিলেন না। চ্যাং চিতুং উ-হানে (Wuhan) স্টীল কারখানা গড়ে তুলেছিলেন যাতে সেটাকে তাঁর চ...

প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় লেখমালা ও মুদ্রার গুরুত্ব

Image
প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় লেখমালা(লিপি) ও মুদ্রার গুরুত্ব প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার উপাদান কে আমরা মূলত দু'ভাগে ভাগ করি –  সাহিত্যিক উপাদান প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান। প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান হলো ভারতের ইতিহাস রচনার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপাদান কারণ প্রাচীন ভারতের সাহিত্যিক উপাদান সুদুলর্ভ। আলোচনা ও বিশ্লেষণের জন্য প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়– লেখমালা মুদ্রা উৎখনন এর ফলে প্রাপ্তপুরা বস্তু এবং শিল্পকলার নিদর্শনসমূহ। শিলালিপি বা লেখমালার গুরুত্ব ঐতিহাসিক ফ্লিটের মতে, শিলালিপি ও লেখ গুলি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ভিত্তিতে ভারতের সংগৃহীত জ্ঞান। লেখমালা সংগ্রহ ছাড়া ওই ধূসর অতীতের কোন ঘটনা সম্পর্কে তথ্য ও তার তারিখ বা ব্যক্তির চিহ্নিতকরণ প্রায় অসম্ভব। এক যুগের রচিত সাহিত্যের উপর পরবর্তী কালের প্রভাব পরা অসম্ভব নয়। কিন্তু লেখ গুলি প্রজন্মের পর প্রজন্ম অপরিচিত থেকে গেছে। সাহিত্য গ্রন্থ গুলির তুলনায় এদের রচনাকাল ও সুনিশ্চিত ভাবে জানা যায়। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনায় লেখমালার গুরুত্ব এত বেশি যে এর অনুমোদন ছাড়া কোন তথ্য এবং তারিখই সত্যের মর্যাদা পায় না। ...

What is History এবং The Idea of History গ্রন্থদ্বয়ের লেখক কারা

What is History এবং The Idea of History গ্রন্থদ্বয়ের লেখক কারা? What is history গ্রন্থের লেখক  ই এইচ কার এবং the idea of history গ্রন্থের লেখক  রবিন জর্জ কলিংউড।

পাদ টীকা কী

পাদ টীকা কী / পাদ টীকা কাকে বলে গবেষণাপত্রের মূল অংশটি দেবার সময় গবেষক তাঁর তথ্যকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য তথ্যসূত্রগুলিকে পাদ টীকা বা Footnote এর মাধ্যমে উল্লেখ করেন যাতে করে সেই স্বাক্ষ্যটিকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা যায়। গবেষক লেখার মধ্যে প্রয়োজনভিত্তিক তথ্যসূত্রে উল্লেখ করে পাদটীকার (Footnotes/ Endnotes) সাহায্য নিয়ে থাকেন। পাদ টীকা/প্রান্তটীকা প্রদানের মধ্যে দিয়ে লেখকের সততা প্রকাশিত হয়ে থাকে।