Posts

Showing posts from May, 2023

ওপেক (OPEC) এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব বা তাৎপর্য

Image
ওপেক (OPEC) এর উদ্দেশ্য ও গুরুত্ব বা তাৎপর্য। ভূমিকা  খনিজ তেল বা পেট্রোলিয়াম উৎপাদনকারী এবং রপ্তানিকারী দেশগুলির সংগঠন ওপেক আসিয়ান এবং আফ্রিকান ইউনিয়ানের মত একটি আন্তঃ রাষ্ট্রীয় সংগঠন, কিন্তু এটি অঞ্চলভিত্তিক নয়, কর্মভিত্তিক। ১৯৬০ সালে ইরাকের রাজধানী বাগদাদে একটি সম্মেলনের মাধ্যমে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং ভেনেজুয়েলাকে নিয়ে ১৯৬০ সালে ১৪ সেপ্টেম্বর ওপেক প্রতিষ্ঠিত (গঠিত) হয়। opec এর পূর্ণরূপ বা পুরো নাম (ফুল ফর্ম) হলো Organization of Petroleum Exporting Countries। পরবর্তীকালে কাতার (১৯৬১), ইন্দোনেশিয়া (১৯৬২), লিবিয়া (১৯৬২), সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (১৯৬৭), আলজিরিয়া (১৯৬৯), এবং নাইজিরিয়া (১৯৭১) ওপেকের সদস্যপদ গ্রহণ করে। পরে ইকুয়েডর ১৯৭৩ সালে এবং গ্যাবন ১৯৭৫ সালে ওপেকের সদস্য হয় কিন্তু এই দুটি রাষ্ট্র যথাক্রমে ১৯৯২ ও ১৯৯৫ সালে ওপেকের সদস্যপদ ত্যাগ করে। সুতরাং বর্তমানে ওপেকের সদস্য উপরোক্ত এগারোটি দেশ। ওপেকের সচিবালয় বা সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা শহরে অবস্থিত। ওপেকের সাংগঠনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তরে রয়েছে ওপেক সম্মেলন ( OPEC Conference ) যা সাধারণ...

Sapta কী

Image
Sapta (সাপটা) কি / Sapta কী in bengali ঠান্ডা যুদ্ধের অবসানের পর সার্ক দক্ষিণ এশিয়ার সদস্য রাষ্ট্রগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সচেষ্ট হয়। ১৯৮০'র দশকে সার্ক জোর দিয়েছিল সামাজিক- সাংস্কৃতিক বিষয়গুলির উপর, ১৯৯০'র দশকে গুরুত্ব দেওয়া হয় অর্থনৈতিক ঐক্যের উপর। ১৯৯৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সার্কের সপ্তম সম্মেলনে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অবাধ বাণিজ্য প্রসারের লক্ষ্য স্বাক্ষরিত হয় SAPTA  এটি Sapta বা সাপটা নামে পরিচিত । Sapta এর পুরো নাম হলো South Asian Preferential Trading Agreement  । অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিভিন্ন পণ্যের উপর শুল্কের বোঝা কমিয়ে মুক্ত বাণিজ্য প্রথা চালু করা হয়। এই উদ্দেশ্যে ১৯৯৫ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত সদস্য রাষ্ট্রগুলি চার হাজারেরও অধিক ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাসের কথা ঘোষণা করে। Sapta (সাপটা) ভারতের শুল্ক হ্রাসের পরিমাণ সবথেকে বেশী, অন্য রাষ্ট্রগুলিতে পণ্য চলাচলের ক্ষেত্রে ভারত এক হাজারেরও বেশী ক্ষেত্রে শুল্ক হ্রাস করেছে। আন্তঃ সার্ক বাণিজ্যের পাশাপাশি দূরবর্তী দেশ থেকে আমদানি কমিয়ে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের বিদেশী মুদ্রা সাশ্রয় করে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাও সাপটা গঠনের ...

সাফটা (SAFTA) গঠনের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল

Image
সাফটা (SAFTA) গঠনের মূল উদ্দেশ্য কি ছিল। ভূমিকা  Safta পুরো নাম South Asian Free Trade Area । SAFTA এর সাফল্য ২০০৪ সালে ৬ ই জানুয়ারি ইসলামাবাদের সার্কের দ্বাদশ সম্মেলনে সার্কের রাষ্ট্রগুলিকে South Asian Free Trade Area / SAFTA চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে উদ্বুদ্ধ করে। SAFTA স্থাপন দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় মুক্ত অঞ্চল স্থাপনের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। উদ্দেশ্য সাফটা গঠনের মূল উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে চুক্তির ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে যে সার্ক দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্দেশ্যেই এই সাফটা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। Safta এর উদ্দেশ্য সম্পাদনের উপায় হিসাবে বলা হয়েছিল যে – বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার অপসারণ এবং সার্ক দেশগুলির মধ্যে মুক্ত পণ্য চলাচল। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সুবিধা প্রদান ও অবাধ বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন দ্বারা সাফটা দ্রুত কার্যকরী হবে। মুক্ত বাণিজ্যের জন্য সুস্থ প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং প্রতিটি রাষ্ট্রকে সমান সুযোগ সুবিধা দেওয়া। সার্কের অভ্যন্তরে স্বল্পোন্নত অর্থনীতির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে সাফটা। সাফ...

সার্ক এর উদ্দেশ্য কি ছিল

Image
সার্ক এর উদ্দেশ্য কি ছিল। SAARC-এর উদ্দেশ্য কী ছিল ।  SAARC- এর সম্পূর্ণ কথাটি বা  পূর্ণরূপ হলো SOUTH ASIAN ASSOCIATION FOR REGIONAL CO-OPERATION (SAARC) । আঞ্চলিক সংগঠন রূপে অপেক্ষাকৃত নবীন সার্কের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। ১৯৮০'র দশকের শুরুতে তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান  সার্ক গঠনের প্রস্তাব প্রথম দিয়েছিলেন তার পরিকল্পনায় দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলিকে নিয়ে একটি আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ শুরু হয় যার পরিণতি সার্ক এর প্রতিষ্ঠা। দক্ষিণ এশিয়ার  রাষ্ট্র বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা নিয়ে সার্ক এর সদস্য দেশ মোট সাতটি । ২০০৭ সালে ভারতের উদ্যোগে আফগানিস্তান সার্কের সদস্য হয়েছে। সার্ক এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে সার্কের সনদে বলা হয়েছে যে – দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের কল্যাণ ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা । এই অঞ্চলের অর্থনেতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন, এবং প্রতিটি ব্যক্তির মর্যাদার সঙ্গে বাঁচার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।  দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলির মধ্যে ঐক্য ও আত্মবিশ্বাসের পরিবেশ সৃষ্টি ...

তৃতীয় বিশ্বের উপর বিশ্বায়নের প্রভাব

Image
তৃতীয় বিশ্বের উপর বিশ্বায়নের প্রভাব বিশ্লেষণ কর ।  বিশ্বায়নের সমালোচনা সবচেয়ে প্রবল তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে। সুতরাং তৃতীয় বিশ্বের উপর বিশ্বায়নের প্রভাব অধিক যুক্তিযুক্ত। ১৯৭৩ সালে 'OPEC' অর্থাৎ পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারী দেশগুলির সংগঠিত সংস্থা এক ধাপে প্রাকৃতিক তেলের মূল্য চারগুণ বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে সৌদি আরব, কুয়েৎ, কাতার, দুবাই, আবু ধাবি, ইরাক, ইরান, ওমান, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, ভেনেজুয়েলা, নাইজেরিয়া, ব্রুনেই ইত্যাদি দেশের শাসকদের হাতে প্রচুর সম্পদ আসে। কিন্তু এই দেশগুলির নিজস্ব শিল্পোন্নয়নের কোন কাঠামো না থাকায় এই সম্পদ গিয়ে জড়ো হয় ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বড় বড় ব্যাঙ্ক যথা সিটি ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক ওফ আমেরিকা, বাররেজ ব্যাঙ্ক, মিডল্যান্ড ব্যাঙ্ক, ডয়েশ ব্যাঙ্ক, ক্রেডিট লিয়নেজ ইত্যাদি ব্যাঙ্কের তোষাখানায়। তখন এই ব্যাঙ্কগুলি চিলি, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল প্রভৃতি একনায়কশাসিত গরিব দেশগুলিকে কোটি কোটি টাকা ধার দিতে থাকে। উদারনীতির নামে সরকারকে গ্যারিন্টি করে এই ধার নেওয়া অর্থ ফিলিপিন্সের রাষ্ট্রনায়ক মার্কোস, আইভরি কোস্টের রাষ্ট্রপতি হুয়ে বোইনি মতো স্বৈরাচারী শাসক ব...

বিশ্বায়নের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো

Image
বিশ্বায়নের বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো। বিশ্বায়ন এর বৈশিষ্ট্য।  বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। বিশ্বায়নের বৈশিষ্ট্য গুলি নিম্নে আলোচনা করা হলো – প্রথমত : বিশ্বায়ন এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য  আর্ন্তজাতিক ক্ষেত্রে বাণিজ্যের প্রসার। পণ্য উৎপাদনে বহুজাতিকতা , দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা বৈদ্যুতিন মাধ্যম ও যন্ত্রগণকের ব্যাপক বিস্তৃতি ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়ার অভীষ্ট পরিবর্তন নিয়ে আসছে।  দ্বিতীয়ত :  বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে লোকজনের অভিগমন ও নির্গমন বিশ্বায়ন এর আরেক বৈশিষ্ট্য । বিশিষ্ট সমাজতাত্ত্বিক অ্যান্টনি গিডেন্স বিশ্বায়নকে সংজ্ঞায়িত করেছেন 'As the intensification of worldwide social relations which link distant localities.' পরিবেশ পরিচালনায়, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান চর্চায় একটি বিশ্বব্যাপী সাধারণ প্রয়াস প্রচলিত থাকার কথা বলা হচ্ছে। চিন্তার ক্ষেত্রে পটভূমিকা হবে বিশ্বমাত্রিক যদিও কাজকর্মে স্থানীয় বাস্তবই হবে অবলম্বন।  তৃতীয়ত :  বিভিন্ন দেশের মধ্যে টাকাপয়সা ও অন্যান্য বিনিময় মাধ্যমের সঞ্চালন। চতুর্থত :  এক দেশের মূলধন অন্য দেশে বিনিয়োগ ...

বিশ্বায়ন কাকে বলে / বিশ্বায়ন কী

বিশ্বায়ন কাকে বলে / বিশ্বায়ন বলতে কী বোঝায় ।  Q - বিশ্বায়ন কাকে বলে / বিশ্বায়নের সংজ্ঞা দাও / বিশ্বায়ন বলতে কী বোঝায় / বিশ্বায়ন কি। বিশ্বায়ন কাকে বলে কথাটি এত বিভিন্ন অর্থে এবং এত বিভিন্ন প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হচ্ছে যে বিশ্বায়নের সংজ্ঞা   সর্বজনগ্রাহ্য তৈরী করা যথেষ্ট কঠিন হয়ে পড়েছে। মানুষের জন্ম সমগ্র বিশ্বে তাদের ছড়িয়ে পড়া মানবজাতির প্রতিটি আবিষ্কার, চিন্তাভাবনা, কাজকর্ম, সংস্কৃতি, জীবনচর্যা এবং এগুলির পারস্পরিক আদানপ্রদান মানব সভ্যতার জন্মলগ্ন থেকেই - উপরোক্ত প্রক্রিয়ার সূচনা হয়েছিল। মানুষ দ্বারা সৃষ্ট যে কোন এই সৃষ্টিকে সমগ্র মানবসমাজের উত্তরাধিকার হিসাবে ভাবা এবং সমগ্র মানবজাতির মধ্যে তা ভাগ করে নেওয়াকে  ব্যপক অর্থে বিশ্বায়ন বলা হয়। এই বিশ্বায়নের ইতিহাস ও মানুষের সত্যিকার ইতিহাস অধ্যাপক অমিয় বাগচির মতে সমার্থক। তবে অধুনা বিশ্বায়ন অভিধাটিকে অন্য অর্থেই ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশ্বায়নের আধুনিক অর্থটি অনেক বেশী সীমিত ও সমালোচনামূলক। অমিয় বাগচি লিখেছেন যে বিশ্বায়নের প্রক্রিয়াটিকে সীমিত করে তাকে একটি ধনিক নিয়ন্ত্রিত খালে পর্যবসিত করে সাধারণ মানুষকে বঞ...

তৃতীয় বিশ্বের উপর ঠান্ডা লড়াই এর প্রভাব

Image
তৃতীয় বিশ্বের উপর ঠান্ডা লড়াই এর প্রভাব। ভূমিকাঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তরকালে দ্বিমেরু বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিন জোট এবং সোভিয়েত জোটের মধ্যে ঠান্ডা লড়াইকে প্রত্যক্ষ করেছিল বহুমাত্রিক ঠান্ডা লড়াইএর প্রভাব থেকে রক্ষা পায়নি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিও । বাস্তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ান এই দুই মহাশক্তিধর রাষ্ট্র রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ভাবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল এবং ফলত তৃতীয় বিশ্বভুক্ত দেশগুলি ঠান্ডা লড়াই'র মধ্যে সম্পৃক্ত হয়ে গিয়েছিল। প্রাথমিক পর্বে তৃতীয় বিশ্বের উপর ঠান্ডা লড়াই এর প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছিল – মধ্যপ্রাচ্যে, ভিয়েতনামে কোরিয়ায়। তৃতীয় বিশ্বের উপর ঠান্ডা লড়াই এর প্রভাব তৃতীয় বিশ্বের উপর ঠান্ডা লড়াই এর প্রভাবঃ ১৮৬৯ সালে সুয়েজ খাল তৈরী হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়, বিংশ শতকে তেলের খনি আবিষ্কৃত হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। ১৯৪৮ সালে স্বাধীন ইজরায়েল রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে এবং আরব ইজরায়েল দ্বন্দ্ব শুরু হলে মধ্য - প্রাচ্যের রাজনৈতিক সংকট আরও ঘনীভূত হয়। দ্বিতীয...

সন্ত্রাসবাদ এর বৈশিষ্ট্য

Image
সন্ত্রাসবাদ এর বৈশিষ্ট্য / সন্ত্রাসবাদের বৈশিষ্ট্য। সন্ত্রাসবাদের নিম্নলিখিত কতগুলি বৈশিষ্ট্য রয়েছে – হিংসা হিংসা সন্ত্রাসবাদ এর বৈশিষ্ট্য । নিষ্ঠুর কোন হিংসাত্মক ঘটনা সন্ত্রাসবাদের অন্যতম শর্ত। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিন অ্যান্ড ইন্টারন্যাশানাল স্টাডিজ'র ওয়াল্টার ল্যা্যুয়ারের ভাষায় সন্ত্রাসবাদের অন্যতম সাধারণ বৈশিষ্ট্য হল যে এর সঙ্গে হিংসা অথবা হিংসার হুমকি ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে। তবে এমন ভাবার কোন কারণ নেই যে অন্য কোন ঘটনার ক্ষেত্রে হিংসা কোন সাধারণ বৈশিষ্ট্য রূপে কাজ করে না। মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব সন্ত্রাসবাদ সাধারণভাবে আঘাতকারী জনসমাজ দেশ বা নাগরিক সমাজকে - মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করে। কোন একটি ঘটনার ভয়াবহতা যাতে করে বিপুল সংখ্যক মানুষের মনে দীর্ঘদিন ধরে বজায় থাকে এরূপ লক্ষ্য নিয়েই সন্ত্রাসবাদ প্রয়োগ করা হয়। রাজনৈতিক লক্ষ্য রাজনৈতিক লক্ষ্য সন্ত্রাসবাদ এর আর এক বৈশিষ্ট্য। সন্ত্রাস কার্যকর করা হয় সুনির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য নিয়ে (যেমন কাশ্মীরকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লস্কর-ই-তৈবা অনেক ঘটনা ঘটায়)। সন্ত্রাসবাদীদের কাছে তাদের অভিষ্ট লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থতা সাধ...

সন্ত্রাসবাদ কাকে বলে

সন্ত্রাসবাদ কাকে বলে। সন্ত্রাসবাদ এর সংজ্ঞা দাও। সন্ত্রাসবাদ কী এর সর্বজনগ্রাহ্য সংজ্ঞা না থাকলেও সাধারণভাবে মনে করা হয় যে সন্ত্রাসবাদ এর অর্থ সন্ত্রাসের পদ্ধতিগত প্রয়োগ। Terrorism is "the systematic use of terror especially as a means of coercion. যে কোন আদর্শগত উদ্দেশ্য পূরণের জন্য সাধারণ নাগরিকবৃন্দকে হত্যা বা আহত করার মধ্যে দিয়ে নিরাপত্তাহীনতার ভীতি প্রদর্শনের নামই সন্ত্রাসবাদ । কখনও বা আইনবিরুদ্ধ হিংসাত্মক আচরণও সন্ত্রাস নামে চিহ্নিত হয়। সাধারণভাবে গৃহীত একটি সংজ্ঞা অনুসারে সন্ত্রাসবাদ হল ব্যক্তি এবং সম্পত্তির উপর আইনবিরুদ্ধ শক্তি বা হিংসার ধ্বংসাত্মক এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত ব্যবহার যা কিনা কোন সরকার বা অসামরিক নাগরিক সমাজ বা তার কোন অংশকে দিয়ে বলপূর্বক কোন কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য প্রয়োগ করা হয়। সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি সন্ত্রাসবাদী রূপে পরিচিত হয়। আধুনিক তথা উত্তর আধুনিক বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ একটি অপ্রচলিত পদ্ধতির মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের পথ যা কিনা যে কোন রাজনৈতিক সংগঠন বা দল, ধর্মীয় গোষ্ঠী, জাতিগোষ্ঠী, বিপ্লবী সংগঠন, জাতীয়তাবাদী এমনকি প্রতিষ্ঠিত সরকারও প্রয়োজনে...

দাঁতাত কী / দাঁতাত কাকে বলে

দাঁতাত কী / দাঁতাত কাকে বলে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ান এই দুই মহাশক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে যে ঠান্ডা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল তার তীব্রতা কখনও বেড়েছিল কখনও বা প্রশমিত হয়েছিল। চল্লিশের দশকের শেষদিক থেকে শুরু করে ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়কাল পর্যন্ত এই দুই মহাশক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছিল, যদিও স্ট্যালিনের মৃত্যুর পর ক্রুশ্চেভ সোভিয়েত ইউনিয়ানের রাষ্ট্রপতি হয়ে পঞ্চাশের দশকের মধ্যভাগে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে সহাবস্থানমূলক অবস্থানের একটি প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন (১৯৫৯ সালে ক্রুশ্চেভ আইজেনহাওয়ারের মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড বৈঠকের কথা বলা যায় )। যদিও এই প্রচেষ্টা ঠাণ্ডা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেনি এবং কিউবা ক্ষেপনাস্ত্র সংকট (১৯৬২) ভিয়েতনামে মার্কিনী আগ্রাসনের প্রাথমিক পর্বে উভয় রাষ্ট্রের মধ্যে টেনশন বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ষাটের দশকের শেষদিক থেকে শুরু করে পরবর্তী দশ বছর সময়কাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ানের মধ্যে এক নমনীয় এবং সহাবস্থানমূলক সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল আন্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত এই পরিস্থিতি বা অবস্থাই দা...