সাহেবধনী সম্প্রদায়

 সাহেবধনী সম্প্রদায়


  প্রবাদ এই যে নদীয়া জেলার অন্তর্গত শালিগ্রাম, দোগাছিয়া প্রভৃতি কয়েক গ্রামে, বনে সাহেবধনী নামে এক উদাসীন এই সম্প্রদায়ের প্রবর্তন করেন। ইহা সম্ভবত কর্তাভজা সম্প্রদায়ের রাখা বিশেষ এবং হিন্দু ও মুসলমান উভয় এই সম্প্রদায়ের শিষ্য হত । 


  এই সম্প্রদায়ের মূল গুরু দুখিরাম পালের পুত্র চরণ পাল শতাধিক বছর পূর্বে এদের বিগ্রহের উপাসনা করেন না বরং বিগ্রহ ও মন্ত্রদাতা গুরুর প্রতি বিশেষ বিদ্ধেষী প্রকাশ করে। প্রতি বৃহস্পতিবার এই সম্প্রদায়ের অনেক লোক একত্রিত হয়ে উপাসনা ও পরমার্থ সাধন করে।


   অর্থাৎ নানা জাতি প্রদত্ত তাদের প্রস্তুত করা পরমান্থ ও অন্যান্য ভোগের সামগ্রী কুপোষণ উপাসনা স্থল এর নিকট নিবেদন করে দিয়ে নিবেদিত দ্রব্য পরেস্পরের মুখে অর্পণ করে। চরণ পালের পর তাহার পুত্র এই সম্প্রদায়ের গুরু হন । 


Read more 👇

কর্তাভজা সম্প্রদায়


Comments

Popular posts from this blog

কোরিয়া সংকটে ভারতের ভূমিকা

কনস্টান্টিনোপলের পতনের গুরুত্ব বা তাৎপর্য

সুয়েজ সংকটে ভারতের ভূমিকা